kalerkantho

সোমবার । ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭। ১০ আগস্ট ২০২০ । ১৯ জিলহজ ১৪৪১

বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগর

বেইজিংয়ের মালিকানার দাবি বেআইনি : যুক্তরাষ্ট্র

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৫ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বেইজিংয়ের মালিকানার দাবি বেআইনি : যুক্তরাষ্ট্র

দক্ষিণ চীন সাগর বেশির ভাগ অংশের মালিকানার যে দাবি বেইজিং করে আসছে, তাকে ‘পুরোপুরি বেআইনি’ অ্যাখ্যা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেন, বিতর্কিত জলসীমার নিয়ন্ত্রণ পেতে বেইজিং যে উসকানিমূলক প্রচারণা কিংবা হুমকি-ধমকি দিচ্ছে, তা মোটেও উচিত হচ্ছে না।

ওয়াশিংটনের এই মন্তব্যের তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় চীন বলেছে, দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন উদ্দেশ্যমূলকভাবে আন্তর্জাতিক আইনের বিকৃতি ঘটাচ্ছে।

দক্ষিণ চীন সাগরের পুরোটাই নিজেদের বলে দাবি করে বেইজিং। কিন্তু ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই ও তাইওয়ানও বেশ কিছু এলাকা নিজেদের বলে দাবি করে আসছে। বিতর্কিত এসব এলাকায় বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। বিরোধপূর্ণ এলাকার মধ্যে রয়েছে স্পার্টলি, প্যারাসেল ও স্কেয়ারবোরো দ্বীপপুঞ্জ। এর মধ্যে স্পার্টলিতে বেশ কয়েকটি কৃত্রিম দ্বীপ বানিয়েছে চীন। ওয়াশিংটন শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছে, এসব দ্বীপে সামরিক স্থাপনা নির্মাণ করছে বেইজিং।

এই অবস্থায় সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, দক্ষিণ চীন সাগরের বেশির ভাগ অংশের সম্পদের ওপর বেইজিংয়ের দাবি এবং সেসব এলাকার নিয়ন্ত্রণ পেতে তারা যে ধরনের তর্জনগর্জন করছে, তা একেবারে বেআইনি। দক্ষিণ চীন সাগরকে বেইজিং নিজেদের সামুদ্রিক সাম্রাজ্য বানাতে চাইলেও বিশ্ব তা বরদাশত করবে না।’

পম্পেওর এই বক্তব্যের পরপরই টুইটারে দেওয়া বিবৃতিতে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত চীন দূতাবাস বলে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উদ্দেশ্যমূলকভাবে আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের বিকৃতি ঘটাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ চীন সাগরের পরিস্থিতি নিয়ে বাড়িয়ে বলছে এবং চীনের সঙ্গে উপকূলবর্তী বিভিন্ন দেশের বিরোধের বীজ বপনের চেষ্টা করছে।’

এদিকে সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনকারী মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘লকহিড মার্টিনের’ ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বেইজিং। তাইওয়ানের কাছে ৬২ কোটি ডলারের ক্ষেপণান্ত্র বিক্রির প্রস্তাবে ট্রাম্প প্রশাসন অনুমোদন দেওয়ায় এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল তারা। গতকাল চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে এটা মাথায় রাখতে হবে যে তাইওয়ান চীনেরই একটা অংশ। তাদের কাছে অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত আমরা দৃঢভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত হবে তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত বাতিল করা এবং তাদের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক ছিন্ন করা।’ সূত্র : বিবিসি, এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা