kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭। ৭ আগস্ট  ২০২০। ১৬ জিলহজ ১৪৪১

পাঁচ মাসে মৃত্যুহার কমল ৩৫ শতাংশ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাঁচ মাসে মৃত্যুহার কমল ৩৫ শতাংশ

প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি থামছেই না। আট দিন ধরে দিনে দেড় লক্ষাধিক মানুষের শরীরে করোনা ধরা পড়ছে। তবে এর মধ্যে স্বস্তির খবর হলো, বৈশ্বিক গড় মৃত্যুহার ক্রমাগত কমছে। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার এই হার দাঁড়ায় ৮.১৪ শতাংশে। অথচ গত ২ ফেব্রুয়ারি এ সংখ্যা ছিল ৪১.৮০ শতাংশ। অর্থাৎ পাঁচ মাসের ব্যবধানে গড় মৃত্যুহার কমেছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। অন্যভাবে বললে, করোনা রোগীর গড় সুস্থ হওয়ার হার বাড়ছে। বৈশ্বিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

অবশ্য এখনই মহামারির চূড়ান্ত পর‌্যায় দেখতে পাচ্ছে না বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)। সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস সম্প্রতি বলেছেন, ‘আমরা সবাই চাই এই সংকট কেটে যাক। আবার সাধারণ জীবনযাপনে ফিরে আসুক মানবসমাজ। কিন্তু চরম সত্যটা হলো, এই মহামারি এখনো শেষ হওয়ার পর‌্যায়ে পৌঁছয়নি। কিছু দেশে সংক্রমণের হার নিম্নমুখী হলেও বাকি দেশগুলোতে সংক্রমণ বেড়েই চলেছে।’

ওয়ার্ল্ডোমিটারের উপাত্ত বলছে, গত ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে নথিভুক্ত আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭ হাজার ৩৯১ জনে। সেদিন ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয় দুই হাজার ৮৩৮ জন। একই দিন সুস্থ হয় ৫০৪ জন, প্রাণহানি ঘটে ৫৮ রোগীর। অর্থাৎ ২ ফেব্রয়ারি এক দিনে চিকিৎসাধীন রোগীদের মধ্যে সেরে ওঠে ৫৮.২০ শতাংশ আর প্রাণহানি হয় ৪১.৮০ শতাংশের। অবশ্য ওই মাসেরই শেষ দিন (২৯ ফেব্রুয়ারি) মৃত্যুহার নেমে আসে ৬.৫৭ শতাংশে। এরপর আরো দুই সপ্তাহ মৃত্যুহারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যায়। তবে মার্চের মাঝামাঝি থেকে মৃত্যুহার বাড়তে থাকে। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে এই হার দাঁড়ায় ২২ শতাংশে। অবশ্য এরপর আর মৃত্যুহার বাড়েনি। ক্রমান্বয়ে কমে গত মঙ্গলবার এসে ঠেকেছে ৮.১৪ শতাংশে। অর্থাৎ ওই দিনের সুস্থহার দাঁড়ায় ৯১.৮৬ শতাংশে। এই পাঁচ মাসের ব্যবধানে সংকটাপন্ন রোগীর হারও জ্যামিতিক হারে কমেছে। ২ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার ৫২৫ জন। এর মধ্যে দুই হাজার ২৯৮ জন বা ১৩.৯০ শতাংশ রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল। ওই মাসের শেষ দিনে সংকটাপন্ন রোগীর হার বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ শতাংশে। ২৯ এপ্রিল এই হার নেমে আসে ৩ শতাংশে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা