kalerkantho

শুক্রবার। ২৬ আষাঢ় ১৪২৭। ১০ জুলাই ২০২০। ১৮ জিলকদ ১৪৪১

ভারতে শনাক্ত সাড়ে পাঁচ লাখ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩০ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ভারতে শনাক্ত সাড়ে পাঁচ লাখ

প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাসে পড়শি ভারতে নতুন করে প্রায় ২০ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এতে দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাড়ে পাঁচ লাখ। এর মধ্যে প্রায় এক লাখ শনাক্ত হয়েছে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে। একই সময়ে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে রোগী বেড়েছে আড়াই লক্ষাধিক। আর করোনার কেন্দ্রস্থল যুক্তরাষ্ট্রে শনাক্ত হয়েছে দুই লাখ ৪৬ হাজার রোগী। অবশ্য কয়েক দিন ধরেই বৈশ্বিক আক্রান্তের হার বাড়লেও মৃত্যুহার ক্রমেই কমে দাঁড়িয়েছে ৮.৩৩ শতাংশে।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বুলেটিন জানিয়েছে, গতকাল সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১৯ হাজার ৪৫৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। এর ফলে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৪৮ হাজার ৩১৮। সব শেষ ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রাণহানি হয়েছে ৩৮০ জনের। অর্থাৎ দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় মৃতের সংখ্যা ১৬ হাজার ৪৭৫। দেশটিতে বর্তমানে মৃত্যুহার ৩ শতাংশ।

আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভারতে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে। বুলেটিন জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে সুস্থ হয়েছে ১২ হাজার ১০ জন। এর ফলে ভারতে মোট সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ২১ হাজার ৭২৩। সব শেষ হিসাবে ভারতে সুস্থতার হার ৫৮.৬৭ শতাংশ। এই মুহূর্তে দেশে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা দুই লাখ ১০ হাজার ১২০।

ব্রাজিলে সাত দিনে রোগী বাড়ল আড়াই লাখ : করোনার অন্যতম কেন্দ্রস্থল ব্রাজিলে করোনা সংক্রমণের রেকর্ড প্রতিদিনই ভাঙছে। গত রবিবার পর্যন্ত সাত দিনে দেশটিতে নতুন করে দুই লাখ ৫৯ হাজার ১০৫ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া করোনায় মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকেও দেশটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সপ্তাহ পার করল। গত সাত দিনে মারা গেছে সাত হাজার পাঁচজন। এর আগের সপ্তাহে তা ছিল সাত হাজার ২৮৫ জন।

বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের পরই ব্রাজিলে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। গতকাল দেশটিতে শনাক্তের সংখ্যা সাড়ে ১৩ লাখ ছাড়িয়েছে। যদিও প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা এর চেয়ে কয়েক গুণ বেশি হবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ দেশটিতে প্রয়োজনের তুলনায় পরীক্ষার সংখ্যা খুবই কম। ব্রাজিলের কট্টর ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো শুরুতে করোনাকে খুব ছোট্ট একটি ফ্লু হিসেবে একে গুরুত্বহীনভাবে তুলে ধরছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রেও সংক্রমণে ঊর্ধ্বগতি : চলমান মহামারিতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রমণে উল্লম্ফন হয়েছে। গত দুই সপ্তাহে দেশটিতে যে হারে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে, তাতে সেখানে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা করা হয়েছে। গত রবিবার পর্যন্ত সাত দিনে যুক্তরাষ্ট্রে রোগী বেড়েছে দুই লাখ ৪৬ হাজার। এর মধ্যে ২৬ জুন এক দিনে রেকর্ড ৪৬ হাজার ৩৪১ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত সোয়া তিন কোটি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে সাড়ে ২৬ লাখের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে। প্রাণ হারিয়েছে এক লাখ ২৮ হাজারের বেশি মানুষ।

বিশ্ব পরিস্থিতি : ওয়ার্ল্ডোমিটার বলছে, গতকাল বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা পর্যন্ত বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে নথিভুক্ত শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক কোটি তিন লাখ। এ সময়ে মারা গেছে পাঁচ লাখ পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ। আর সুস্থ হয়েছে ৫৬ লাখ রোগী। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৪২ লাখ। সূত্র : দ্য ওয়াল, ওয়ার্ল্ডোমিটার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা