kalerkantho

রবিবার । ২১ আষাঢ় ১৪২৭। ৫ জুলাই ২০২০। ১৩ জিলকদ  ১৪৪১

পাকিস্তানের সাবেক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ মার্কিন তরুণীর

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৭ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাকিস্তানের সাবেক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ মার্কিন তরুণীর

পাকিস্তানের সাবেক এক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন মার্কিন সাংবাদিক তথা ব্লগার সিন্থিয়া ডি রিচি। তাঁর অভিযোগ, ইসলামাবাদে তাঁকে ধর্ষণ করেন সে দেশের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রহমান মালিক। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি তাঁর গায়ে হাত তোলেন বলেও দাবি করেছেন সিন্থিয়া। নিরপেক্ষ তদন্ত হলে, সেসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে রেহমান মালিক ও গিলানি তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ইমরান খান সরকারের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত সিন্থিয়া, বরাবরই পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে আগ্রহী। গত শুক্রবার ফেসবুক লাইভে তিনি পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ নিয়ে সরব হন। তিনি বলেন, ‘২০১১ সালে পাকিস্তানের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রহমান মালিক আমাকে ধর্ষণ করেন। ঠিকই শুনেছেন। আরো একবার বলছি, রহমান মালিক আমাকে ধর্ষণ করেছেন।’

এরপর আরো একটি ফেসবুক পোস্টে সিন্থিয়া জানান, ২০১১ সালে আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের বিরুদ্ধে অ্যাবোটাবাদের একটি বাড়িতে অভিযান চালায় মার্কিন সেনা। তাতে মৃত্যু হয় লাদেনের। সেই সময়ই ভিসা নিয়ে কথা বলতে রহমান মালিকের সঙ্গে তাঁর বাসভবনে দেখা করেন তিনি। সেখানে ঘুমের ওষুধ মেশানো পানীয় খাইয়ে রহমান মালিক তাঁকে ধর্ষণ করেন। সেই সময় পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সরকার ক্ষমতায়। সেখানে তাঁকে কেউ সাহায্য করবে না ভেবেই সেই সময় এ নিয়ে তিনি মুখ খোলেননি বলে জানিয়েছেন সিন্থিয়া। ইসলামাবাদে প্রেসিডেন্ট হাউসে থাকাকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি এবং সাবেক মন্ত্রী মখদুম সাহাবুদ্দিন তাঁর গায়ে হাত তোলেন বলেও দাবি করেছেন সিন্থিয়া। সেই সময় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন আসিফ আলী জারদারি। তাঁর স্ত্রী ও পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও এর আগে একাধিক মন্তব্য করেছিলেন সিন্থিয়া। প্রকাশ্যে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় জারদারি পরিবার ও পিপিপি তাঁকে হুমকি দিচ্ছে, তাঁর পরিবারকে হেনস্তা করছে বলেও দাবি করেন সিন্থিয়া। সূত্র : ডন, আনন্দবাজার।

মন্তব্য