kalerkantho

শনিবার । ২৭ আষাঢ় ১৪২৭। ১১ জুলাই ২০২০। ১৯ জিলকদ ১৪৪১

মহামারি মোকাবেলা

প্রকাশ্যে প্রশংসা করলেও চীনের ব্যাপারে হতাশ ছিল ডাব্লিউএইচও

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনাভাইরাস মহামারির শুরু থেকে পরিস্থিতি মোকাবেলায় চীনের তৎপরতার প্রশংসা করে এসেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচএ)। কিন্তু ওই সব প্রশংসাবাক্যের আড়ালের পরিস্থিতি একেবারে আলাদা, অনুসন্ধান শেষে এমনটা জানিয়েছে আমেরিকান সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।

মহামারির শুরুতে চীনের অবহেলার কারণে সংকট বৈশ্বিক আকার ধারণ করেছে, এমন অভিযোগ রয়েছে চীনের বিরুদ্ধে। কিন্তু ডাব্লিউএইচও সব সময় চীনের প্রশংসাই করেছে। চীনা বিজ্ঞানীরা ভাইরাসটির জিনগত গঠন আবিষ্কার করে দ্রুত সেটা প্রকাশ করায় তাদের ধন্যবাদও জানিয়েছে জাতিসংঘের ওই স্বাস্থ্য সংস্থা।

এবার এপি জানাচ্ছে ভিন্ন তথ্য। কয়েক ডজন সাক্ষাৎকার আর ডাব্লিউএইচওর বিভিন্ন সভার রেকর্ড ও নথির ভিত্তিতে এপি জানায়, করোনাভাইরাসের জিনগত গঠন আবিষ্কারের পর সেটা ডাব্লিউএইচওকে জানাতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগিয়ে দিয়েছিল চীন। করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত জানাতেও দুই সপ্তাহ গড়িমসি করেছে তারা। চীনের এমন ভূমিকায় রীতিমতো হতাশ হয়েছেন ডাব্লিউএইচওর কর্মকর্তারা। তার পরও তাঁরা চীনের অব্যাহত প্রশংসা করে গেছেন। কারণ তাঁরা ক্রমাগত প্রশংসা করার মধ্য দিয়ে চীনকে চাপে রাখতে চেয়েছেন, যেন চীন মহামারিসংক্রান্ত সব তথ্য সরবরাহ করে।

 

এপি আরো জানায়, বিভিন্ন বৈঠকে ডাব্লিউএইচওর বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা স্পষ্ট করেই বলেছেন, মহামারি  পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য যতটা দরকার, ততটা তথ্য তাঁরা হাতে পাচ্ছিলেন না।

চীনের ব্যাপারে দ্বৈত অবস্থান নিলেও ইতালির এক চিকিৎসকের দাবির প্রতিবাদ জানাতে দেরি করেনি ডাব্লিউএইচও। গত রবিবার ইতালির এক চিকিৎসক দাবি করেন, শক্তিশালী করোনাভাইরাস ‘ক্লিনিক্যালি’ এখন আর নেই। কিন্তু ডাব্লিউএইচওর গবেষকরা এর প্রতিবাদে জানিয়েছেন, ইতালির চিকিৎসকের দাবির পক্ষে সহায়ক প্রমাণ নেই। সূত্র : সিএনবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা