kalerkantho

শনিবার । ২৭ আষাঢ় ১৪২৭। ১১ জুলাই ২০২০। ১৯ জিলকদ ১৪৪১

বেইজিংয়ের সমালোচনায় পম্পেও

ভারত সীমান্তে চীন আগ্রাসী হয়ে উঠছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, ভারতের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সেনা মোতায়েন করছে চীন। সেই সঙ্গে তিনি এটাও উল্লেখ করেন, চীনের এই নীতির জন্য শুধু তাদের দেশের মানুষের ক্ষতি হবে না। এর ফল ভুগবে গোটা বিশ্ব।

পম্পেও আরো বলেন, মুখে এক রকম কথা বলছে চীন, কিন্তু কাজে সেই কথার সঙ্গে বিস্তর ফারাক দেখা যাচ্ছে। দক্ষিণ চীন সাগর, হংকং বা ভারতের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় চীনের যে অত্যধিক সক্রিয়তা লক্ষ করা যাচ্ছে, তা তাদের আগ্রাসী নীতিরই একটা দৃষ্টান্ত। চীনের এই নীতির কারণে যদি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে আঘাত লাগে, তাহলে তারাও যে চুপ থাকবে না, স্পষ্ট জানিয়েছেন পম্পেও।

তিনি বলেন, ছয় মাস ধরেই যে চীনের এমন আচরণ সামনে এসেছে তেমনটা নয়, কয়েক দশক ধরে চীন এই আগ্রাসী নীতি চালিয়ে যাচ্ছে। করোনাভাইরাসের প্রসঙ্গ টেনে এনে চীনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এই অতিমারি নিয়ে তথ্য গোপন করেছে চীন। শুধু তাই নয়, হংকংয়ের মানুষের স্বাধীনতা হরণ করেছে তারা।’

গত দুই সপ্তাহ ধরে লাদাখ ও উত্তর সিকিমে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় (এলএসি) ভারত-চীনের মধ্যে উত্তেজনার আবহ তৈরি হয়েছে। বেশ কয়েকবার পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছে দুই দেশের সেনারা। ওপারে বিপুল সেনা মোতায়েন করেছে চীন। মের গোড়া থেকেই উপত্যকার ওল্ডি রোডে সেনা সমাবেশ করছে চীন। মাসখানেকের মধ্যে দারবুক, শায়ক ও দৌলতবেগেও চীনা সেনার সংখ্যা অনেকটা বেড়েছে। পাল্টা সেনা সমাবেশ করেছে ভারতও।

যদিও পরে সেনা মোতায়েন নিয়ে কিছুটা নমনীয় অবস্থান নেয় চীন। সীমান্ত নিয়ে ভারত ও চীন, দুই দেশের পরিস্থিতি ‘স্থিতিশীল ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য’ বলে জানায় চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় সূত্রে আরো বলা হয়, এই সমস্যা আলোচনা ও পরামর্শের মাধ্যমে সমাধানের জন্য দুই দেশই নিজেদের মধ্যে ‘নিরন্তর’ যোগাযোগ রেখে চলেছে। চীনের সঙ্গে সীমান্তে শান্তি এবং সুস্থিতি বজায় রাখতে তারাও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান ভারতের পররাষ্ট্র মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব। সূত্র : রয়টার্স।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা