kalerkantho

শনিবার । ২৭ আষাঢ় ১৪২৭। ১১ জুলাই ২০২০। ১৯ জিলকদ ১৪৪১

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন

হত্যা করা হয়েছে জর্জ ফ্লয়েডকে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হত্যা করা হয়েছে জর্জ ফ্লয়েডকে

হাঁটু দিয়ে জর্জ ফ্লয়েডের গলা চেপে রাখা পুলিশের এই ছবিই ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র

শ্বাসরোধ করে হত্যাই করা হয়েছিল ৪৬ বছরের জর্জ ফ্লয়েডকে। শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের মৃত্যু ঘিরে এক সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে গোটা যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যেই জর্জ ফ্লয়েডের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন সামনে এসেছে। তাতে সাফ বলা হয়েছে, হাঁটু দিয়ে তাঁর গলা চেপে ধরেছিল পুলিশ। এর ফলে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় জর্জ ফ্লয়েডের। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। এটা হত্যাকাণ্ড।

এর আগে জর্জ ফ্লয়েডের পরিবারের তরফে আলাদা করে ময়নাতদন্ত করা হয়েছিল। তাতেও গোটা ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। শরীরে অক্সিজেন পৌঁছতে না পারায় তাঁর মৃত্যু হয়েছিল বলে জানানো হয়। এবার হেনেপিন কাউন্টি মেডিক্যাল এক্সামিনারের দপ্তরের তরফে যে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে, তাতেও একই দাবি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, গলায় চাপ পড়ায় কার্ডিয়োপালমোনারি অ্যারেস্টে আক্রান্ত হন জর্জ।

এ ছাড়া জর্জ হৃদরোগজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন এবং তাঁর শরীরে মেথাম্ফেটামাইন ওষুধের উপস্থিতি মিলেছে বলেও জানানো হয় ওই প্রতিবেদনে। তবে গোটা ঘটনাকে হত্যা বলে উল্লেখ করলেও, ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁকে খুন করা হয়েছে নাকি অনিচ্ছাকৃতভাবে, তা বলা সম্ভব নয় বলে জানানো হয়েছে।

চেক জালিয়াতির অভিযোগে গত সপ্তাহে মিনিয়াপলিসে জর্জ ফ্লয়েডকে রাস্তায় ফেলে তাঁর উপর নৃশংস অত্যাচার চালায় পুলিশ। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে বলে বারবার আরজি জানাতে থাকলেও, হাঁটু দিয়ে তাঁর গলা চেপে বসে থাকেন ডেরেক শওভিন নামের এক পুলিশকর্মী। জর্জের পিঠের উপর চাপ দিয়ে বসেছিলেন আরো দুই পুলিশকর্মী। তার জেরে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় জর্জ ফ্লয়েডের।

সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে সেই ভিডিও সামনে আসতেই বিক্ষোভ শুরু হয় দেশজুড়ে। গত কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় তা সহিংস আকারও ধারণ করেছে। গোটা ঘটনায় ডেরেক শওভিন নামের ওই পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে এরই মধ্যেই থার্ড ডিগ্রি মার্ডার এবং নরহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে কোর্টে তোলা হবে তাঁকে। ঘটনার সময় তাঁকে সাহায্য করার জন্য আরো তিন পুলিশকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে তাতেও বিক্ষোভ থামেনি। বরং সাধারণ মানুষের সঙ্গে রাস্তায় নেমে এসেছেন বিশিষ্টজনরাও। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর সরকারের উপরই গোটা ঘটনার দায় চাপিয়েছেন তাঁরা। সূত্র : রয়টার্স, এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা