kalerkantho

রবিবার । ২৮ আষাঢ় ১৪২৭। ১২ জুলাই ২০২০। ২০ জিলকদ ১৪৪১

উঁচুর বাসিন্দাদের করোনাঝুঁকি কম

চার দেশের বিজ্ঞানীদের গবেষণা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বেশি উচ্চতায় বসবাসকারী লোকজনের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকায় বসবাসকারীদের চেয়ে কম বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। বেশ কয়েকটি অঞ্চলের ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে, যারা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে তিন হাজার মিটার উচ্চতায় থাকে তাদের মধ্যে সংক্রমণ উল্লেখযোগ্য হারে কম। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে আরো বেশি তথ্য-প্রমাণ দরকার বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

রেসপিরেটরি ফিজিওলজি অ্যান্ড নিউরোবায়োলজি জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাটি করেছেন অস্ট্রেলিয়া, বলিভিয়া, কানাডা ও সুইজারল্যান্ডের গবেষকরা। তাঁরা বলিভিয়া, ইকুয়েডর ও তিব্বতের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বেশি উচ্চতার তিব্বতে চীনের অন্যান্য নিম্ন এলাকার তুলনায় সংক্রমণের হার অনেক কম। এ ছাড়া বেশি উচ্চতায় অবস্থিত বলিভিয়ার আন্দিজে দেশটির অন্যান্য এলাকার এক-তৃতীয়াংশ সংক্রমণ ঘটেছে। ইকুয়েডরের আন্দিজে দেশটির অন্যান্য এলাকার তুলনায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এক-চতুর্থাংশ। পেরুর কুসকো উপত্যকায়ও করোনা সংক্রমণের হার অন্যান্য এলাকার চেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কম। চার লাখ ২০ হাজার বাসিন্দার উঁচু এ শহরে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মাত্র তিনজন মারা গেছে। ওই তিনজনও ছিল অন্য দেশের পর্যটক। ২৩ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিলের মধ্যে ওই তিনজন মারা যাওয়ার পর এখন পর্যন্ত পুরো কুসকোতে করোনায় আর কারো মৃত্যু হয়নি, যদিও পুরো পেরুতে এখন পর্যন্ত চার হাজারেরও বেশি মানুষ করোনায় মারা গেছে। শুধু মৃত্যুর সংখ্যাই নয়, সংক্রমণও কুসকোতে অনেক কম। এখন পর্যন্ত ওই শহরে ৯১৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে, যা জাতীয় সংক্রমণ হারের চেয়ে ৮০ শতাংশেরও কম। একই চিত্র দেখা গেছে ইকুয়েডরের ক্ষেত্রেও। দেশটিতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত এলাকাটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র কয়েক শ ফুট ওপরে হলেও সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে অবস্থিত লা পাজে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা অনেক কম। সূত্র : এনডিটিভি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা