kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৫ আষাঢ় ১৪২৭। ৯ জুলাই ২০২০। ১৭ জিলকদ ১৪৪১

পুলিশ হেফাজতে কৃষ্ণাঙ্গের মৃত্যু

উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র, ২৫ শহরে কারফিউ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র, ২৫ শহরে কারফিউ

পুলিশ হেফাজতে কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর জের ধরে বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২৫টি শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক মাত্রায় ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের ওপর টিয়ার গ্যাস এবং রাবার বুলেট ছুড়েছে দাঙ্গা পুলিশ। বিক্ষোভ দমনে পুলিশকে দেওয়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া নির্দেশ ও সতর্কতা উপেক্ষা করে কয়েকটি শহরে পুলিশের যানে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এই সংঘর্ষের জন্য ট্রাম্প তাঁর ভাষায় ‘লুটেরা ও বিশৃঙ্খলাকারীদের’ দোষারোপ করেছেন।

গত সোমবার মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরে পুলিশের হেফাজতে মারা যান ৪৬ বছর বয়সী আফ্রিকান আমেরিকান নাগরিক ফ্লয়েড। ৪৪ বছর বয়সী শ্বেতাঙ্গ সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক চউভিনকে তাঁর মৃত্যুর জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং আজ সোমবার তাঁকে আদালতে তোলার কথা রয়েছে। ঘটনার সময় উপস্থিত থাকা আরো তিন পুলিশ কর্মকর্তাকেও বরখাস্ত করা হয়েছে।

অনলাইনে ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বেশ কয়েক মিনিট ধরে ফ্লয়েডের ঘাড়ের ওপর হাঁটু গেড়ে বসে রয়েছেন চউভিন। সে সময় ফ্লয়েড বারবারই বলছিলেন যে তিনি নিঃশ্বাস নিতে পারছেন না।

ফ্লয়েড হত্যার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৩০ শহরে বিক্ষোভ হয়েছে। শিকাগোতে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে বিক্ষোভকারীরা। জবাবে পুলিশও পাল্টা টিয়ার গ্যাসের শেল ছোড়ে। শনিবার বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়।

লস অ্যাঞ্জেলেসে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার পর বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে তাদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ছোড়ে পুলিশ। ছবিতে দেখা যায়, পুলিশের গাড়ির ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে বিক্ষোভকারীরা। দ্বিতীয় দিনের মতো ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউসের বাইরে অবস্থান নিয়েছে অনেক বিক্ষোভকারী। জর্জিয়া ও আটলান্টায় শুক্রবার বিক্ষোভকারীরা ভাঙচুর চালানোর পর জানমালের নিরাপত্তায় সেখানে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। মিনিয়াপোলিস, নিউ ইয়র্ক, মায়ামি, আটলান্টা ও ফিলাডেলফিয়ায় বিক্ষোভ করেছে হাজার হাজার মানুষ।

অন্যান্য শহরের সঙ্গে মিনিয়াপোলিস, আটলান্টা, লস অ্যাঞ্জেলেস, ফিলাডেলফিয়া, পোর্টল্যান্ড ও লুইসভিলে রাতভর কারফিউ জারি করা হয়েছে। তবে অনেক শহরে বিক্ষোভকারীরা কারফিউ ভেঙে ব্যাপক হারে লুটপাট চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে কানাডার টরন্টোতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ হয়েছে এবং আমেরিকার সীমান্তের বাইরেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সূত্র : বিবিসি, সিএনএন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা