kalerkantho

রবিবার । ২৮ আষাঢ় ১৪২৭। ১২ জুলাই ২০২০। ২০ জিলকদ ১৪৪১

উত্তাল মিনেপোলিসে আগুন ভাঙচুর লুটপাট

ফের পুলিশ হেফাজতে কৃষ্ণাঙ্গের মৃত্যু

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩০ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উত্তাল মিনেপোলিসে আগুন ভাঙচুর লুটপাট

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনেপোলিস শহরে গত বৃহস্পতিবার একটি পুলিশ স্টেশনের ফটকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেপোলিসে পুলিশ হেফাজতে এক কৃষ্ণাঙ্গের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে টানা তৃতীয় দিনের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও তুমুল ধ্বংসযজ্ঞের রূপ নিয়েছে।

গত সোমবার সন্ধ্যায় শ্বেতাঙ্গ এক পুলিশ কর্মকর্তার হাতে ৪৬ বছর বয়সী জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর থেকেই মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তম এ শহর অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। গত মঙ্গলবার ও বুধবার মিনেপোলিসে সহিংস বিক্ষোভ হয়েছে। ক্রমবর্ধমান সহিংসতা ঠেকাতে মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ শহরটিতে ন্যাশনাল গার্ড বাহিনী মোতায়েন করলেও বৃহস্পতিবার প্রতিবাদকারীদের ক্ষোভের আগুন দমাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে খুব বেশি তৎপর দেখা যায়নি। বিক্ষোভকারীরা এদিন একটি গাড়ি এবং অন্তত তিনটি ভবনে অগ্নিসংযোগ করেছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে; টানা দ্বিতীয় রাতের মতো দোকানে লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে।

গত বুধবার রাতে দাঙ্গা পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ ও অন্তত ১৬টি ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। গভর্নর ওয়ালজ ন্যাশনাল গার্ড বাহিনী মোতায়েনের আদেশে স্বাক্ষর করলেও বৃহস্পতিবার বিক্ষোভের কেন্দ্রস্থল পুলিশের কার্যালয় কিংবা দিনব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ওই বাহিনীর সদস্যদের দেখা যায়নি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরে এক টুইটে মিনেপোলিসে অরাজকতা ঠেকাতে মেয়র জ্যাকব ফ্রের ব্যর্থতার কড়া সমালোচনা করেন। মেয়র শহরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে ন্যাশনাল গার্ড বাহিনী পাঠিয়ে ‘সব ঠিক করা হবে’ বলে মন্তব্যও করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার রাতে দেওয়া টুইটে হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, ‘যখন লুটপাট শুরু হবে, তখন গুলিও শুরু হবে।’  স্থানীয়, অঙ্গরাজ্য ও কেন্দ্রীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা বিক্ষোভকারীদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত চলছে জানিয়ে দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করারও আশ্বাস দিয়েছেন তাঁরা।

পুলিশের সঙ্গে ফ্লয়েডের সংঘাতের সূত্রপাত কিভাবে, ভিডিওতে তা দেখা যায়নি। শুধু দেখা গেছে এক পুলিশ কর্মকর্তা ফ্লয়েডের ঘাড়ের ওপর হাঁটু দিয়ে তাঁকে মাটিতে চেপে ধরে রেখেছেন। সে সময় ফ্লয়েড বলেছেন, ‘প্লিজ, আমি শ্বাস নিতে পারছি না, আমাকে মারবেন না।’ এক পথচারীকে সে সময় ফ্লয়েডকে ছেড়ে দিতে পুলিশকে অনুরোধ করতেও দেখা গেছে। পরে অ্যাম্বুল্যান্সে করে ফ্লয়েডকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। সূত্র : রয়টার্স।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা