kalerkantho

রবিবার । ১২ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৯ সফর ১৪৪২

করাচিতে আবাসিক এলাকায় যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত

৩৭ জনের মৃত্যু

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৩ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করাচিতে আবাসিক এলাকায় যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত

করাচির একটি আবাসিক এলাকায় গতকাল দুপুরে পিআইএর একটি বিমান ভেঙে পড়ে। আশপাশের ভবনের ছাদ থেকে বিমানের ধ্বংসাবশেষের ওপর পানি ছিটানো হয়। ছবি : এএফপি

প্রায় ১০০ জন যাত্রী নিয়ে করাচির কাছে ভেঙে পড়ল পাকিস্তান আন্তর্জাতিক বিমান (পিআইএ) সংস্থার একটি বিমান। গতকাল শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে ৯১ জন যাত্রী ও আটজন বিমানকর্মীকে নিয়ে করাচি বিমানবন্দরের কাছে ভেঙে পড়ে এ-৩২০ বিমানটি। লোকালয়ে বিমানটি ভেঙে পড়েছে বলে জানা গেছে। গতকাল রাত ১০টা পর্যন্ত ৩৭ জনের নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে পাকিস্তানের ডন পত্রিকা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় দুর্ঘটনার যে ভিডিওা সামনে এসেছে তাতে দেখা গেছে, জনবহুল এলাকার মধ্যে বিমানের ধ্বংসাবশেষ থেকে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে চারপাশ। আতঙ্কে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছে বহু মানুষ।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, এদিন দুপুর ১টায় লাহোর থেকে করাচির উদ্দেশে রওনা দেয় বিমানটি। দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে করাচি পৌঁছানোর কথা ছিল সেটির। কিন্তু দুপুর ২টা ৩৭ মিনিটে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় কন্ট্রোল রুমের। তার কিছুক্ষণ পরই দুর্ঘটনা ঘটে। করাচি বিমানবন্দরসংলগ্ন মালির মডেল কলোনির কাছে জিনা গার্ডেন এলাকায় লোকালয়ে বিমানটি ভেঙে পড়ার খবর আসে। তাতে আশপাশের বেশ কয়েকটি বাড়িতেও আগুন ধরে যায়।

দুর্ঘটনার খবর পেয়েই বেশ কিছু অ্যাম্বুল্যান্স দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে। দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন উদ্ধারকর্মীরাও। পাকিস্তানের  ইন্টার সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনসের তরফে জানানো হয়েছে, সেনাবাহিনীর সদস্যদের কুইক রেসপন্স ফোর্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। করাচির সব হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে সে দেশের স্বাস্থ্য ও জনকল্যাণ মন্ত্রণালয়।

এদিন যে বিমানটি দুর্ঘটনকবলিত হয়েছে, সেটি ১০-১২ বছর আগে চীন থেকে পিআইএর হাতে এসেছিল বলে জানা গেছে। বিমানের দুটি ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ায়ই দুর্ঘটনা ঘটেছে। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা