kalerkantho

শুক্রবার । ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৫ জুন ২০২০। ১২ শাওয়াল ১৪৪১

‘দরিদ্র দেশগুলোর স্বাস্থ্যসেবা ভেঙে পড়ার আগেই প্রতিষেধক দরকার’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৪ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশে স্বাস্থ্যসেবা পুরোপুরি ভেঙে পড়া এড়াতে হলে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গবেষণা জরুরিভাবে প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। গত শুক্রবার ৭০টিরও বেশি দেশের বিজ্ঞানীদের সংগঠনের একটি জোট এ কথা বলেছে। বিশ্বের নেতৃত্বস্থানীয় চিকিৎসা জার্নাল দ্য ল্যানসেটে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মহামারি করোনাভাইরাস বর্তমানে ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের উন্নত চিকিৎসাব্যবস্থা করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ভাইরাসটি ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। আর তা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

করোনাভাইরাসের পরীক্ষা, ভ্যাকসিন ও চিকিৎসাসংক্রান্ত ছয় শতাধিক ক্লিনিক্যাল টেস্ট এ পর্যন্ত হয়েছে। তবে দরিদ্র দেশগুলোতে এ ব্যাপারে প্রকৃতপক্ষে কোনো পরিকল্পনাই নেই। এসব দেশে বিশুদ্ধ পানি ও সুষ্ঠু পয়োনিষ্কাশনের অভাবের পাশাপাশি ঘনবসতি হওয়ায় সামাজিক দূরত্বও রক্ষা করে চলা কঠিন। তা ছাড়া অনেক স্বাস্থ্যকর্মী প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ ছাড়াই করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

শুক্রবার প্রকাশিত ল্যানসেটের লেখকরা জানিয়েছেন, ওই সব দেশে স্বাস্থ্যসেবা আংশিক বা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার ফলে সব ধরনের অসুস্থতায় প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রভাব ফেলবে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, করোনাভাইরাস শুধু দরিদ্র দেশগুলোতে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়াবে তা নয়, সেসব দেশে দারিদ্র্যও বাড়াবে। একই সঙ্গে অন্য রোগেরও প্রকোপ বাড়াবে। গত বৃহস্পতিবার বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছে, পশ্চিম আফ্রিকার ৫০ লাখ মানুষ অনাহারে ভুগছে। করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বে অনাহারী মানুষের সংখ্যা বাড়িয়ে দেবে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির পশ্চিম আফ্রিকার পরিচালক ক্রিস নিকোই বলেছেন, ‘বিশ্বের প্রতি আমাদের বার্তা পরিষ্কার—এখনই দূরে তাকান এবং এর ধারাবাহিকতা বিপর্যয় থেকে কম কিছু হবে না।’ সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা