kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৬  মে ২০২০। ২ শাওয়াল ১৪৪১

মহামারির উৎস বনরুই?

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩০ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মহামারির উৎস বনরুই?

প্যাঙ্গোলিন (বনরুই) নামে একটি প্রাণী, যা চোরাই পথে চীনে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করা হয়—তার দেহে এমন একটি ভাইরাস পাওয়া গেছে, যা কভিড নাইনটিনের সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত’। প্যাঙ্গোলিন হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি চোরাই পথে পাচার হওয়া স্তন্যপায়ী প্রাণী।

এটা খাদ্য হিসেবে যেমন ব্যবহৃত হয়, তেমনি ঐতিহ্যবাহী ওষুধ তৈরির কাজেও এর ব্যবহার রয়েছে। ওষুধ তৈরির ক্ষেত্রে প্যাঙ্গোলিনের গায়ের আঁশের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং তাদের মাংসও চীনে একটি উপাদেয় খাবার। হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. টমি ল্যাম বলেছেন, চীনে পাচার হওয়া মালযান প্যাঙ্গোলিনের মধ্যে এমন দুই ধরনের করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে, যা মানুষের মধ্যে দেখা দেওয়া মহামারির সঙ্গে সম্পর্কিত।

নেচার সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসব প্রাণী নিয়ে নাড়াচাড়া করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক হওয়া প্রয়োজন এবং ভবিষ্যতে করোনাভাইরাসের মতো কোনো মারাত্মক রোগ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমাতে হলে বুনো প্রাণীর বাজারে প্যাঙ্গোলিনের মতো জন্তু বিক্রি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা উচিত। তাঁরা এটাও বলছেন, মানুষের মধ্যে রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকির ক্ষেত্রে প্যাঙ্গোলিনের ভূমিকা বুঝতে হলে আরো পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা প্রয়োজন। ড. ল্যাম বলেন, ‘যদিও সার্স-কোভ-টু-র প্রাদুর্ভাবের সরাসরি হোস্ট হিসেবে প্যাঙ্গোলিনের ভুমিকা আরো নিশ্চিত হওয়ার দরকার আছে, তবে ভবিষ্যতে যদি এ রকম প্রাণী থেকে মানুষে মহামারি ছড়ানো ঠেকাতে হয় তাহলে বাজারে এসব প্রাণীর বিক্রি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা উচিত।’

বিজ্ঞানীরা বলছেন, বাদুড়ের দেহেও করোনাভাইরাস আছে এবং তার সঙ্গে মানুষের দেহে সংক্রমিত ভাইরাসের আরো বেশি মিল আছে। সূত্র : বিবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা