kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৬ চৈত্র ১৪২৬। ৯ এপ্রিল ২০২০। ১৪ শাবান ১৪৪১

আংটি তাবিজ কবচ ব্যবহারে সাবধান

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৭ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শুধুই সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে দুটি হাত খুব ভালোভাবে ধুয়ে নিলেই হবে না, করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাড়ির লোকজনকে বাঁচাতে বাইরে থেকে এসে আমাদের আরো সতর্ক হতে হবে।

আমরা অনেকেই আংটি পরি। বিয়ের বা জ্যোতিষীর পরামর্শেও অনেকে আংটিতে ধারণ করে থাকে নানা রকমের রত্ন, মণিমাণিক্য। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আংটিগুলো এই সময় খুলে রাখলেই সবচেয়ে ভালো। না পারলে বাইরে থেকে এসেই সেগুলোকে খুব ভালোভাবে ঘষে ধুয়ে নিতে হবে। আমাদের অনেকেরই হাতের কবজিতে থাকে নানা ধরনের তাগা, মাদুলি, তাবিজ, কবচও। সেগুলো আর রাখাই যাবে না সঙ্গে। সবই খুলে ফেলতে হবে। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সুমিত সেনগুপ্ত বলছেন, ‘আংটি, তাগা, মাদুলি, তাবিজ, কবচ—সবই অত্যন্ত বিপজ্জনক। এগুলো থেকে বাড়ির লোকজনের করোনায় সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা যথেষ্টই। তাই এগুলোর ব্যবহার সম্পর্কেও আমাদের খুব সতর্ক হতে হবে।’

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, নভেল করোনাভাইরাস আংটির বিভিন্ন ধাতু, রত্ন, মণিমাণিক্যে কতটা সময় পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে, সে ব্যাপারে সর্বজনগ্রাহ্য গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি, এ কথা ঠিক। কিন্তু সাধারণ অভিজ্ঞতা থেকেই বলা যায়, ধাতব আংটিতে যথেষ্ট পরিমাণে জমে থাকে ধুলা ও বিভিন্ন ধরনের জীবাণু। যাঁরা গ্লাভস পরে বাড়ির বাইরে বেরোচ্ছেন না, তাঁদের হাতের আঙুলে থাকা আংটিতে তাই এই পরিস্থিতিতে করোনার মতো জীবাণু ঢুকে পড়ার আশঙ্কা যথেষ্টই।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অরিন্দম বিশ্বাসের কথায়, ‘আংটির নিচে আকছারই সাবানের টুকরা জমে থাকতে দেখা যায়। স্নানের সময় আংটি আমরা ভালোভাবে পরিষ্কার করি না বলে। বাড়ির বাইরে বের হলে আংটির নিচে এই জমে থাকা সাবানের টুকরাগুলোই হয়ে ওঠে জীবাণুর সেরা আস্তানা। তাই সেই আংটি পরা হাতে আমরা যদি খাই বা বাড়ির লোকজনকে খাবার পরিবেশন করি বা রান্নাবান্না করি, তাহলে জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কা আরো বেড়ে যায়।’ কলকাতার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সুমিত সেনগুপ্তের বক্তব্য, এগুলো আপাতত আমাদের বর্জন করাই উচিত। কারণ এগুলোতে জীবাণু আটকে থাকার আশঙ্কা খুবই। তাই এগুলোকে ধুলেও ততটা কাজ হয় না। সে জন্য বাড়ির লোকজনকে করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতে হাতের কবজিতে বাঁধা তাগা, তাবিজ, মাদুলি, কবচ অবিলম্বে খুলে ফেলা উচিত। সূত্র : আনন্দবাজার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা