kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৬ চৈত্র ১৪২৬। ৯ এপ্রিল ২০২০। ১৪ শাবান ১৪৪১

করোনাভাইরাস

এয়ারলাইনসগুলোর ক্ষতি ছাড়াতে পারে তিন হাজার কোটি ডলার

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে বিশ্বের এয়ারলাইনসগুলো এ বছর দুই হাজার ৯৩০ কোটি ডলারের মতো হারাতে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক একটি সংস্থা। প্রাণঘাতী কভিড-১৯-এর কারণে এক দশকের মধ্যে চলতি ২০২০ সালে বিমান যাতায়াতে চাহিদাও কমবে বলে ধারণার কথা জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইএটিএ)।

হুবেই প্রদেশের উহান থেকে বিশ্বের ২৬টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়া নতুন, নিউমোনিয়াসদৃশ ভাইরাসে চীন ও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের এয়ারলাইনসগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে যাচ্ছে বলেও অনুমান তাদের। ফ্লাইটের সংখ্যা কমাতে এয়ারলাইনসগুলো বাধ্য হওয়ায় তা তাদের আয়ে প্রভাব ফেলছে। সংস্থাটি বলছে, ২০২০ সালে শুধু এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের এয়ারলাইনসগুলোর আয়ই কমবে দুই হাজার ৭৮০ কোটি ডলার; এশিয়ার বাইরের এয়ারলাইনসগুলো হারাবে দেড় শ কোটি ডলার।

আইএটিএর অনুমান, চীনের এয়ারলাইনসগুলো এ বছর তাদের দেশের ভেতরই এক হাজার ২৮০ কোটি ডলার ক্ষতির সম্মুখীন হবে। আইএটিএর মহাপরিচালক আলেক্সান্দ্রে দে জুনিয়াক বলেন, ‘এয়ারলাইনসগুলোকে তাদের ধারণক্ষমতা ও কোনো কোনো ক্ষেত্রে রুট কমানোর মতো জটিল সব সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। এ বছর তাদের জন্য খুবই কঠিন সময় যাবে।’ আন্তর্জাতিক এ সংস্থা বলছে, চীনের ভেতরে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব এবং বাইরের দেশগুলোতে সামান্য সংক্রমণের বিষয়টি বিবেচনা করে তারা এয়ারলাইনসগুলোর এ সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করেছে।

কিন্তু করোনাভাইরাস যদি অন্যান্য দেশেও ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটবে। কভিড-১৯-এর কারণে যে পরিমাণ ক্ষতি হবে, তাতে বছর শেষে এয়ারলাইনসগুলো লোকসানে থাকবে কি না, সে বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেছে তারা। আইএটিএ বলছে, ২০০৩ সালে সার্সের প্রাদুর্ভাবের সময় বিমান যাতায়াতে মানুষের চাহিদা কমার হারের সঙ্গে মিলিয়ে কভিড-১৯-এ কী পরিমাণ ক্ষতি হতে পারে, সে বিষয়ক অনুমান করেছে তারা।

গত বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সের দুটি এয়ারলাইনসও তাদের আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার কথা জানিয়েছে। সূত্র : বিবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা