kalerkantho

সোমবার । ২৩ চৈত্র ১৪২৬। ৬ এপ্রিল ২০২০। ১১ শাবান ১৪৪১

মার্কিন-তালেবান চুক্তি ২৯ ফেব্রুয়ারি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অবশেষে স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত যুক্তরাষ্ট্র-তালেবান যুদ্ধ বিরতি চুক্তি। আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে কাতারের দোহায় সাময়িক এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করার কথা রয়েছে দুই পক্ষের। সাত দিন মেয়াদি এ চুক্তিটি যদি শেষ পর্যন্ত স্বাক্ষরিত হয়, তবে তা আফগানিস্তানে দীর্ঘ ১৮ বছরের সংঘাত অবসানে নেওয়া একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হতে যাচ্ছে।

গতকাল শুক্রবার আফগানিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জাভেদ ফয়সাল প্রথম এ চুক্তির তারিখ জানান। পরে তালেবানের এক জ্যেষ্ঠ সদস্য বিবিসিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এদিকে প্রথমে কোনো মন্তব্য করতে রাজি না হলেও পরে মার্কিন পররাষ্ট্রসচিব মাইক পম্পেও চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বিবৃতি দেন। এতে চুক্তির তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি জানিয়ে বলা হয়, ‘বোঝাপড়ার সফল পরিণতি হিসেবে মার্কিন-তালেবান চুক্তির বিষয়টি সামনের দিকে এগিয়ে চলছে।’ এতে আরো বলা হয়, চুক্তিটি স্বাক্ষরের পর খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হবে।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এ সাত দিন তালেবান, যুক্তরাষ্ট্র ও আফগানিস্তান কেউই কোনো হামলার ঘটনা ঘটাবে না। সাময়িক এ যুদ্ধবিরতি থেকেই বোঝা যাবে তালেবান তাদের সদস্যদের নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম কি না। পরে এর ভিত্তিতে আফগানিস্তানে স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০০১ সাল থেকে দেশটিতে অবস্থান করা বিপুলসংখ্যক মার্কিন সেনার অর্ধেককে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। বর্তমানে সেখানে প্রায় ১৩ হাজার মার্কিন সেনা রয়েছে।

আফগানিস্তানে প্রায় দুই দশক ধরে চলা সংঘাত কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এ চুক্তির জন্য গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে মার্কিন-তালেবান আলোচনা চলছিল। পরে দোহায় দুই পক্ষের মধ্যে ৯ দফায় বৈঠকের পর চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়। কিন্তু এক মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, আর কোনো আলোচনা চালিয়ে যেতে তিনি রাজি নন। পরে নানা নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে বহুলপ্রতীক্ষিত চুক্তিটি। সূত্র : এএফপি, বিবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা