kalerkantho

বুধবার । ৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১

ট্রাম্পের সফরকে সামনে রেখে কাশ্মীর নিয়ে মার্কিন সিনেটরদের উদ্বেগ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ট্রাম্পের সফরকে সামনে রেখে কাশ্মীর নিয়ে মার্কিন সিনেটরদের উদ্বেগ

বিশেষ মর্যাদা বিলোপের পর ছয় মাস কাটতে চললেও এখনো পুরো ভারত থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন কাশ্মীর উপত্যকা। বন্দিদশায় দিন কাটছে উপত্যকার সাবেক তিন মুখ্যমন্ত্রীর। তা নিয়ে একবার ফের উদ্বেগ প্রকাশ করলেন মার্কিন সিনেটররা। আগামী সপ্তাহে দুই দিনের ভারত সফরে আসছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওকে চিঠি দিয়ে খোলাখুলি নিজেদের উদ্বেগের কথা জানান তাঁরা।

দুই ডেমোক্র্যাট ও দুই রিপাবলিকান সিনেটর পম্পেওকে এই চিঠি দিয়েছেন, যাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত লিনজি গ্রাহাম। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘এখন পর্যন্ত উপত্যকার বেশির ভাগ জায়গায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রেখেছে ভারত সরকার। বিশ্বের আর কোনো গণতন্ত্রে এত দিন পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার নজির নেই। এতে ৭০ লাখ মানুষের জীবনে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে। বিঘ্নিত হচ্ছে চিকিৎসা পরিবেষা, মার খাচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষাব্যবস্থাও।’

দীর্ঘ ছয় মাস ধরে কাশ্মীরকে এভাবে বিচ্ছিন্ন করে রাখার ফলাফল মারাত্মক হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন মার্কিন সিনেটররা। তাঁরা বলেন, ‘বিশিষ্ট রাজনীতিকসহ নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে শত শত কাশ্মীরিকে আটক করে রাখা হয়েছে। এই পদক্ষেপের ফলাফল মারাত্মক হতে পারে।’

বিশেষ মর্যাদা বিলোপের পর রাজনৈতিক কারণে কাশ্মীরে ঠিক কতজনকে বন্দি করে রাখা হয়েছে, যোগাযোগের মাধ্যমগুলো কতটা সক্রিয়, স্বাধীন পর্যবেক্ষক, কূটনীতিক এবং বিদেশি সাংবাদিকরা আদৌ সব জায়গায় যেতে পারছেন কি না, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সেই-সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট প্রকাশ করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন ওই সিনেটররা।

কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে দেশের অন্দরেই সমালোচনার মুখে পড়ছে মোদি সরকার। এর মধ্যেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) বিরোধী বিক্ষোভ মাথাচাড়া দিয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। তা নিয়ে সম্প্রতি ভারতের সমালোচনায় সরব হন মার্কিন বিদেশ দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিভাগের তদারকি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অ্যালিস ওয়েলস। মোদি সরকারের নয়া আইন ভারতের ২০ কোটি মুসলিম নাগরিকের সার্বিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করে মার্কিন কংগ্রেসের গবেষণা সংস্থা ‘কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিস (সিআরএস)-ও।

সূত্র : আনন্দবাজার।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা