kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৭ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১

সিএএবিরোধী প্রস্তাব আসছে ইইউ পার্লামেন্টে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনকে (সিএএ) ‘বৈষম্যমূলক’ এবং ‘ভয়ানক বিভাজনকারী’ আখ্যা দিয়ে খসড়া প্রস্তাব তৈরির কাজ শেষ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। পাঁচ পৃষ্ঠার এ প্রস্তাব তৈরির কাজটি করেছে জোটের প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স অব সোশ্যালিস্ট অ্যান্ড ডেমোক্র্যাটস (এসঅ্যান্ডডি)। আগামী সপ্তাহে জোটের পূর্ণাঙ্গ সভায় প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হতে পারে।

ইউরোপীয় পার্লামেন্টের এসঅ্যান্ডডি গ্রুপের ১৫৪ জন সদস্য সিএএর ব্যাপারে ওই প্রস্তাবে সমর্থন দিয়েছে। আগামী ২৯ জানুয়ারি ইইউ পার্লামেন্টের পূর্ণাঙ্গ সভায় এ বিষয়ে বিতর্ক হতে পারে। ভোটাভুটি হবে ৩০ জানুয়ারি।

প্রস্তাবে ইইউ সদস্যরা ভারতের সিএএর পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের আশঙ্কা, ভারত সরকারের এই নীতির কারণে বহু মুসলিম নাগরিককে দেশছাড়া হতে হবে এবং ভারতে রাষ্ট্রহীনের সংখ্যা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি হবে। শুধু তাই নয়, সিএএবিরোধী দমনে ভারত সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে, সেটারও তীব্র নিন্দা করেছে এসঅ্যান্ডডি।

ইইউ সদস্যদের অভিমত, জাতি-বর্ণ-ধর্ম-নির্বিশেষে সব নাগরিকের অধিকার রক্ষায় যে আন্তর্জাতিক আইন রয়েছে সেই আইনের কথা যেন ভারত মাথায় রাখে। সিএএবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে গত ৫ জানুয়ারি জওয়াহেরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর মুখোশধারীদের হামলা ও সে সময় পুলিশের নীরব ভূমিকার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে ওই প্রস্তাবে।

ওই প্রস্তাবে স্পষ্ট বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দেশগুলোর সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষার কথা বলে ভারত সিএএ প্রণয়ন করলেও শ্রীলঙ্কার তামিল, পাকিস্তানের আহমদিয়া ও হাজারা, বাংলাদেশের বিহারি, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ওই আইনের অন্তর্ভূূক্ত করেনি। অথচ এসব গোষ্ঠী সংখ্যালঘু এবং নিপীড়নের শিকার। এর মধ্যে রোহিঙ্গারা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও জাতিসংঘের ভাষায় সবচেয়ে নিপীড়িত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী। আর শ্রীলঙ্কান তামিলরা ভারতের সর্ববৃহৎ শরণার্থীগোষ্ঠী এবং ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা ভারতে আছে। সূত্র : ন্যাশনাল হেরাল্ড, আনন্দবাজার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা