kalerkantho

শনিবার । ১০ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৮ জমাদিউস সানি ১৪৪১

আইএলওর বার্ষিক প্রতিবেদন

সমাজে অস্থিতিশীলতা বাড়াচ্ছে সম্মানজনক জীবিকার অভাব

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২২ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শুধু বেকারত্ব নয়, সমাজকে কুরে কুরে খাওয়া আরেক সমস্যার নাম আংশিক বেকারত্ব। বিশ্বব্যাপী এ দুটি সমস্যায় ভুগতে থাকা মানুষের সংখ্যা ৪৭ কোটির বেশি। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) গতকাল সোমবার এ তথ্য জানায়। জাতিসংঘের এ সংস্থাটি আরো জানায়, সম্মানজনক জীবিকার অভাব সমাজে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অন্যতম এক কারণ।

বিশ্বজুড়ে কর্মসংস্থান পরিস্থিতি ও এর জেরে বিদ্যমান সামাজিক পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রতিবছর প্রতিবেদন প্রকাশ করে আইএলও। এ বছর প্রকাশিত ‘বিশ্ব কর্মসংস্থান ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বিগত শতকে বেকারত্বের হার মোটামুটি অপরিবর্তিত ছিল। আর সাম্প্রতিক চিত্র সম্পর্কে এতে বলা হয়, গত বছর বেকারত্বের হার ছিল ৫.৪ শতাংশ এবং চলতি বছর এ সংখ্যায় খুব একটা পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা নেই। শতাংশের হিসাবে বেকারত্ব বৃদ্ধির হার খুব বেশি মনে না হলেও মূল সংখ্যাটা কম নয়। গত বছর ১৮ কোটি ৮০ লাখ মানুষের বেকারত্বের তথ্য রেকর্ড করা হয়, যা এ বছর ১৯ কোটি ছাড়িয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আইএলওর বার্ষিক প্রতিবেদনে আংশিক বেকারত্বের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। আংশিক বেকার বলতে এমন কর্মক্ষম ব্যক্তিদের বোঝায়, পূর্ণকালীন কাজে আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও যারা খণ্ডকালীন কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে, যারা কাজ খোঁজা ছেড়ে দিয়েছে অথবা যারা শ্রমবাজারে ঢুকতেই পারছে না। এ ধরনের জনগোষ্ঠীর সংখ্যা প্রায় ৫০ কোটি এবং সংখ্যাটা বিশ্বের মোট কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ১৩ শতাংশ। আংশিক বেকারত্ব বিশ্বের অনেক জায়গায় ‘সামাজিক অখণ্ডতায় ভাঙন ধরাচ্ছে’, এমনটাই বলেন আইএলও প্রধান গাই রাইডার।

এ রকম আরো অনেক অসংগতি তুলে ধরেছে আইএলও। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে কর্মজীবীদের ৬০ শতাংশের বেশি বর্তমানে এমন ক্ষুদ্র উদ্যোগে নিয়োজিত, যেগুলোর ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই। ‘অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি’ অভিহিত এসব কর্মক্ষেত্রে নিয়োজিত মানুষ হাড়ভাঙা খাটুনির বিনিময়ে সামান্য অর্থ পায় আর সামাজিক সুরক্ষার তো প্রশ্নই নেই। বিশ্বের মোট কর্মজীবীর মধ্যে তাদের সংখ্যা এক-পঞ্চমাংশ অর্থাৎ ৬৩ কোটির বেশি। দিনে তাদের গড় আয় ৩ দশমিক ২ ডলারের কম। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা