kalerkantho

বুধবার । ৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১

জলবায়ু নিয়ে জাতিসংঘের হুঁশিয়ারি

সামনে আরো কঠিন সময়

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সামনে আরো কঠিন সময়

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ায় বড় ধরনের দাবানলের ঘটনা ঘটে। ছবি : এএফপি

তাপমাত্রা রেকর্ডের ইতিহাসে গেল দশক ছিল সবচেয়ে উত্তপ্ত। চলতি বছরটাও চরমভাবাপন্ন আবহাওয়ার দখলে থাকবে। সামনের বছরগুলোতেও এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে গত বুধবার এসব সতর্ক বার্তা দিয়েছে জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া বিষয়ক সংস্থা (ডাব্লিউএমও)।

জাতিসংঘের এ আবহাওয়া সংস্থার বিশ্লেষণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) তথ্যের সঙ্গে মিলে গেছে। ইইউ গত সপ্তাহেই জানিয়েছে, ২০১৬ সালের পর ২০১৯ সাল হচ্ছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উত্তপ্ত বছর।

চরমভাবাপন্ন আবহাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়ে ডাব্লিউএমওর প্রধান পেটেরি টালাস বলেন, ‘২০১৯ সালে যতটা ঘটনা ঘটেছে, ২০২০ সালে সেটার পর থেকেই শুরু হচ্ছে—আবহাওয়ার বড় ধরনের প্রভাব, জলবায়ু সংশ্লিষ্ট ঘটনা।’

বলা দরকার, অস্ট্রেলিয়া কয়েক মাস ধরেই দাবানলে পুড়ছে। ইতিমধ্যে এক হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা পুড়ে গেছে, ধ্বংস হয়ে গেছে দুই হাজারের বেশি বাড়িঘর, নিহত হয়েছে ২৮ জন। এসব ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে টালাস বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে ২০২০ সাল এবং আগামী দশকগুলোজুড়েই আমরা চরমভাবাপন্ন আবহাওয়া দেখার আশঙ্কা করছি।’ এ সময় তাপমাত্রা আরো বাড়বে এবং পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আরো বেশি গ্রিন হাউস গ্যাস জমা হওয়ার আশঙ্কার কথাও বলেন তিনি।

বিগত সময়ের তাপমাত্রা সম্পর্কে ডাব্লিউএমও জানায়, গত পাঁচ বছর ও গত ১০ বছর উভয় মেয়াদে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করেছেন বিজ্ঞানীরা। আধুনিককালের তাপমাত্রা রেকর্ডের ইতিহাসের শুরু ১৮৫০ সাল থেকে। সংস্থাটি আরো জানায়, ঊনিশ শ আশির দশকের পর থেকে প্রতি দশকে তাপমাত্রা কেবলই বেড়েছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির এ ধারা ভবিষ্যতেও বহাল থাকবে বলে সংস্থাটির আশঙ্কা।

তাপমাত্রা বৃদ্ধির এ হার দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখতে হলে বিশ্ববাসীকে গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমনের হার প্রতিবছর ৭.৬ শতাংশ হারে কমাতে হবে এবং ২০৩০ সাল পর্যন্ত এ ধারা বজায় রাখতে হবে—গত বছর এমনটা জানিয়েছিল জাতিসংঘ। সূত্র : এএফপি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা