kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ জানুয়ারি ২০২০। ৯ মাঘ ১৪২৬। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১          

ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদ

উত্তাল পশ্চিমবঙ্গে এবার ইন্টারনেট সেবা বন্ধ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উত্তাল পশ্চিমবঙ্গে এবার ইন্টারনেট সেবা বন্ধ

ভারতের আহমেদাবাদে গতকাল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএবি) ও নাগরিকপঞ্জির (এনআরসি) প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে এই মুসলিম শিশুটিও প্ল্যাকার্ড হাতে যোগ দেয়। ছবি : এএফপি

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে গতকাল রবিবার তৃতীয় দিনের মতো উত্তাল ছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। রাজধানী কলকাতাসহ প্রায় এক ডজন জেলায় বাস, ট্রেন ও রেলওয়ে স্টেশনে আগুন এবং মহাসড়ক অবরোধসহ সহিংস বিক্ষোভ করেছে প্রতিবাদকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ছয়টি জেলায় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে দোষারোপের রাজনীতি শুরু হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই সহিংসতার জন্য কংগ্রেস ও তার সমর্থকদের দায়ী করেছেন। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি সহিংসতার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস ও এর নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছে।

বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে ভারতে আশ্রিত কয়েকটি ধর্মের মানুষকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে—এই আইন করার প্রতিবাদেই ফুসছে ভারতের মানুষ। গত বুধবার আসাম থেকে এ প্রতিবাদ শুরু হয়। গতকালও আসামের রাজধানী গুয়াহাটিতে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বন্ধ থাকা ইন্টারনেট পরিষেবা এখনো চালু হয়নি মেঘালয় ও নাগাল্যান্ডে। আসামে সহিংস বিক্ষোভে আহত আরো দুজন গতকাল মারা গেছে। এ পর্যন্ত সহিংসতায় মৃতের সংখ্যা ছয়ে দাঁড়ালো।

সহিংসতার জেরে গতকাল পশ্চিমবঙ্গের মালদহ, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর, হাওড়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীরা কলকাতার শহরতলী আকরা স্টেশনে আগুন জ্বালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এ সময় দুজন পুলিশ আহত হয়।

এর মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অনুপ্রবেশকারীরাই ঝামেলা পাকাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশি মুসলমানরা রাস্তায় যেভাবে ব্যাংক হিংসা ছড়াচ্ছে তা নজিরবিহীন। এ জন্য তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে তিনি দায়ী করেন। সূত্র : এনডিটিভি, এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা