kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ভোটের দিন ভোট নিয়ে কথা নয়

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভোটের দিন ভোট নিয়ে কথা নয়

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন (বাঁ পাশে) গতকাল বান্ধবী ক্যারি সাইমন্ডসকে নিয়ে নয়, ভোট দিতে গিয়েছিলেন পোষা কুকুরটিকে সঙ্গে নিয়ে। লেবার নেতা জেরেমি করবিন অবশ্য স্ত্রী লরা আলভারেজকে সঙ্গী করেই ভোট দিতে যান। ছবি : এএফপি

ব্রিটেনে নির্বাচনের দিন সম্প্রচার মাধ্যমগুলো নির্বাচনের ব্যাপারে কোন ধরনের খবর প্রচার করতে পারবে, সে ব্যাপারে সরকারের স্পষ্ট ও কঠোর নির্দেশনা আছে। ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর শেষ মুহূর্তের প্রচারসংক্রান্ত খবরসহ অনেক কিছুই টেলিভিশন ও রেডিও চ্যানেলগুলোয় স্থান পাচ্ছে না। তবে সংবাদপত্র ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপর কড়াকড়ি কিছুটা শিথিল বলে শেষ মুহূর্তে কোন দলের জয়ের সম্ভাবনা সবচেয়ে প্রবল হয়েছে, সে খবর ঠিকই পাওয়া গেছে। সে অনুসারে সবচেয়ে বেশি ভোট ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভদের ঘরেই যাওয়ার কথা।

ব্রিটেনের অফিস অব কমিউনিকেশনসের (অফকম) নীতিমালায় ভোট চলাকালে গণমাধ্যমের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও ভোটারদের ওপর প্রভাব বিস্তার ঠেকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। সে লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ চলাকালে সব ধরনের নির্বাচনী ইস্যু, মতামত জরিপ, রাজনৈতিক বিবৃতি ও কোনো প্রার্থীকে নিয়ে সম্প্রচার মাধ্যমে প্রতিবেদন সম্প্রচার একেবারে নিষিদ্ধ। ব্রিটেনে যেসব আন্তর্জাতিক সম্প্রচার মাধ্যমের কার্যক্রম আছে, তাদের ক্ষেত্রেও একই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে দায়ী সম্প্রচার মাধ্যমকে জরিমানা গুনতে হতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট সম্পাদকের কারাদণ্ড হতে পারে।

সংবাদপত্র ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমগুলোর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল। শেষ মুহূর্তের নির্বাচনী জরিপ, মন্তব্য, সেই সঙ্গে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের ব্যাপারে ইতিবাচক-নেতিবাচক নিবন্ধ প্রকাশ করার অনুমতি তাদের আছে।

অফকমের এ শিথিলতার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করে ব্রিটেনের পত্রিকা ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমগুলো। সে সুযোগ নিয়েই ব্রিটেনের ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ড গতকাল বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, তাদের চূড়ান্ত নির্বাচনী জরিপে কনজারভেটিভরাই এগিয়ে আছে। পত্রিকাটির পক্ষে ইপসোস মোরি পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে, কনজারভেটিভদের পক্ষে ৪৪ শতাংশ, লেবার পার্টির পক্ষে ৩৩ শতাংশ, লিবারাল ডেমোক্র্যাটদের ১২, গ্রিনস পার্টির তিন, ব্রেক্সিট পার্টির দুই এবং অন্যদের পক্ষে ৬ শতাংশ ভোট পড়তে পারে। তারা আরো জানিয়েছে, ভোটের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত ২৩ শতাংশ ভোটার মনস্থির করতে পারেনি, তারা কাকে ভোট দেবে। সূত্র : সিএনএন, ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ড।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা