kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ জানুয়ারি ২০২০। ৭ মাঘ ১৪২৬। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

স্কটল্যান্ডে এবার হোঁচট খাবেন জনসন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



যুক্তরাজ্যে এর আগের দফা সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালে। সেবার স্কটল্যান্ডের ভোট একতরফাভাবে কনজারভেটিভ পার্টির বাক্সে পড়ে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে পার্লামেন্টে অতিকষ্টে যে ক্ষীণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা সেবার অর্জন করেন তাতে স্কটিশদের বড় অবদান ছিল। তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন হয়তো সে সমর্থন ধরে রাখতে পারবেন না। এর একটা বড় কারণ টোরিদের (কনজারভেটিভ পার্টি) বিষয়ে এক ধরনের মোহভঙ্গ হয়েছে স্কটল্যান্ডবাসীর। আজকের ভোটে টোরিদের জন্য একটা ধাক্কা অপেক্ষা করছে।

দলের স্টারলিং আসনের এমপি স্টিফেন কার বলেন, ‘এবার খুব এবং খুব কঠিন পরিস্থিতি আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।’ তিনি গতবারের নির্বাচনে স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টিকে হারিয়ে এই আসনটি দখল করেন। প্রচারের ব্যস্ততার মধ্যেই কার জানালেন, তিনিসহ স্কটল্যান্ডে যে ১৩ আসনে গতবার কনজারভেটিভ পার্টি জয় পেয়েছে তা এবার ধরে রাখা সম্ভব নাও হতে পারে। গতবারের জয়ের মূল প্রভাবক ছিলেন রুথ ডেভিডসন। ব্রেক্সিটবিরোধী এই নেত্রী গত আগস্টে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। কার বলেন, শুধু যে ১৩ আসনের জন্য আমরা ডেভিডসনের কাছে কৃতজ্ঞ তা নয়।

রাজনীতিবিষয়ক মার্কিন পোর্টাল পলিটিকোর চার্লি কুপার বলেন, ‘২০১৭ সালে কনজারভেটিভ পার্টি স্কটল্যান্ডে দুর্দান্ত ফল করে। স্কটল্যান্ডই টেরেসা মের গা বাঁচিয়ে দেয়।’ তবে দুই বছর আগে দলের সেই সাফল্য সূত্র এখন কুয়াশায় ঢাকা। কুপার মনে করেন, স্কটল্যান্ডের ফলাফলই হয়তো এবার জনসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং ঝুলন্ত পার্লামেন্ট—এর মধ্যে যেকোনো একটিকে সুনির্দিষ্ট করে দেবে।

ডেভিডসনের পদত্যাগের পর স্কটল্যান্ডে টোরিদের মধ্যে ক্যারিসমাটিক নেতার যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে জনসন তা পূরণ করতে পারেননি। তিনি ওই এলাকা সফর করেছেন। শিল্পঘন ওই অঞ্চলে গিয়ে আশ্বস্ত করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় পণ্যের ওপর যে শুল্ক বসিয়েছে, ব্রেক্সিট কার্যকরের পর তা যুক্তরাজ্যের ওপর বলবৎ থাকবে না। কিন্তু তাঁর আশ্বাস শ্রমজীবী ভোটারদের ওপর খুব একটা কাজ করেনি।

৪৮ বছর বয়সী স্কটিশ গ্যারি টাস্কার কনজারভেটিভ পার্টিকে ধনীদের দল হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘টোরিরা ভুল করছে। এখানে বেশির ভাগ মানুষই শ্রমজীবী।’ ৭০ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসাকর্মী ডোরিয়ান বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে কি এবার আমি ভোট দিতে যাব না। ওয়েস্টমিনস্টারে (ব্রিটিশ পার্লামেন্ট) কেউ স্কটল্যান্ডকে প্রতিনিধিত্ব করে বলে মনে হয় না।’ সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা