kalerkantho

সোমবার । ২০ জানুয়ারি ২০২০। ৬ মাঘ ১৪২৬। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ট্রাম্পকে অভিশংসনে দুটি ধারায় অভিযোগ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিশংসন করা যেতে পারে—এমন দুটি ধারা প্রকাশ করেছে ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের বিচার বিভাগীয় কমিটি। গতকাল মঙ্গলবার কমিটির প্রধান জেরি নাডলার ধারাগুলোর কথা জানান। নাডলার জানান, প্রথম ধারায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এবং দ্বিতীয় ধারা অনুযায়ী কংগ্রেসের কাজ বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগ প্রমাণ করা যাবে। 

দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট গত সোমবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এবং এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত তিনজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আরো জানায়, আগামী সপ্তাহেই এ নিয়ে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে ভোটাভুটি হবে। সিএনএন জানায়, আরেকটি ধারা নিয়ে ডেমোক্রেটিক পার্টিতে আলোচনা চলছে। তা হলো, ট্রাম্প বিচারপ্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে এই ধারা নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি।

চার মাস আগে গত আগস্টে এক হুইসেল ব্লোয়ার জানান, ট্রাম্প সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে ইউক্রেনকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছেন। গত সোমবার এক শুনানিতে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ট্রাম্প ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, তাঁর ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং তদন্তপ্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতা তৈরির চেষ্টা করেছেন, এমন বহু প্রমাণ রয়েছে।

ডেমোক্রেটিক পার্টির আইনজীবী ড্যানিয়েল গোল্ডম্যান গতকাল বলেন, ‘নির্বাচনে জালিয়াতি করে জেতার জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বাইরের একটি দেশের ওপর টানা চাপ দিয়ে গেছেন।’ পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে, ট্রাম্পের অভিশংসন এবং বিচারের মুখোমুখি হওয়ার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত। সে ক্ষেত্রে ট্রাম্প হবেন এমন পরিস্থিতির মধ্যে পড়া যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় প্রেসিডেন্ট।

তবে রিপাবলিকানরা বিষয়টিকে দেখছেন একটু ভিন্নভাবে। শীর্ষ রিপাবলিকান নেতা ডগ কলিন্স বলেন, ‘পুরো বিষয়টাই রাজনৈতিক। অভিশংসনযোগ্য অপরাধ কোথায়? আমরা কেন এর দিকে এগিয়ে যাচ্ছি?’ ট্রাম্প নিজেও অবশ্য এই তদন্তপ্রক্রিয়াকে ‘ধাপ্পাবাজি’ বলে মনে করেন।

সামনের সপ্তাহে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে ভোটাভুটির পর সামনের মাসেই বিষয়টি তোলা হবে সিনেটে। হাউসে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সেখানে খুব সহজেই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসনের প্রস্তাব পাস হয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে সিনেটে বিচারের মুখে পড়তে বাধ্য হবেন ট্রাম্প। যদিও সিনেটে এ প্রস্তাব পাস হতে গেলে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থনের প্রয়োজন হবে। রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত সিনেটে এ প্রস্তার পাস হওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

সূত্র : এএফপি, সিএনএন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা