kalerkantho

সোমবার । ২০ জানুয়ারি ২০২০। ৬ মাঘ ১৪২৬। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

জনসনের সবচেয়ে বড় হুমকি তরুণ মিলানি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জনসনের সবচেয়ে বড় হুমকি তরুণ মিলানি

ইরানের আলী মিলানি মাত্র পাঁচ বছর বয়সে যখন ব্রিটেনে পা রাখেন, তখন ইংরেজি বলতে পর্যন্ত পারতেন না। আর এখন তারুণ্যে ভরপুর সেই মিলানি ব্রিটেনের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের জন্য সবচেয়ে গুরুতর নির্বাচনী হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছেন। ২৫ বছর বয়সী মিলানি এবার জনসনেরই আসন পশ্চিম লন্ডনের আক্সব্রিজ ও সাউথ রাইস্লিপ থেকে লেবার পার্টির হয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছেন।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, তরুণ সম্ভাবনাময় রাজনীতিকদের সাধারণত অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য নির্বাচনী ময়দানে নামানো হয়। সে ক্ষেত্রে তাদের এমন সব আসনে প্রার্থিতা দেওয়া হয়, যেখানে তাদের জেতার সম্ভাবনা প্রায় থাকে না বললেই চলে। কিন্তু স্থানীয় ব্রুনেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখার পাট চুকানো মিলানির ক্ষেত্রে তেমনটা হবে না।

বলে রাখা ভালো, গত নির্বাচনে মাত্র পাঁচ হাজার ৩৪ ভোটে এগিয়ে ছিলেন জনসন। ১৯২৪ সাল থেকে ব্রিটেনের ইতিহাস ঘেঁটে দেখা গেছে, কোনো প্রধানমন্ত্রীর এত কম ভোটে এগিয়ে থাকার নজির নেই। কনজারভেটিভদের হিসাবে ব্যবধানটা সামান্য হলেও মিলানির মতো তরুণ প্রতিদ্বন্দ্বীর জন্য ভোটসংখ্যাটা নিতান্ত কম নয়। সেটা স্বীকার করে নিয়ে মিলানি গত মাসে গার্ডিয়ানের এক নিবন্ধে লেখেন, ‘ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ হাজার ভোট কেড়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জটা এত সহজ নয়। কিন্তু জনমত জনসনের বিরুদ্ধে চলে যাচ্ছে।’ আর সে কারণেই আশার আলো দেখছেন মিলানি।

কেন ভোটাররা জনসনের দিক থেকে মুখ ফেরাচ্ছে, তা তাদের অভিমত শুনলে পরিষ্কার হয়ে যায়। আক্সব্রিজ ও সাউথ রাইস্লিপের বাসিন্দারা কখনো জনসনের দেখা পান না। তা ছাড়া স্থানীয় ছোট-বড় সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে জনসনের মাথাব্যথা নেই, এমন অভিযোগও করছেন ভোটাররা।

৪২ বছয় বয়সী আইটিকর্মী মাইকেল ফ্রেইটাস বলেন, ‘এ এলাকা সব সময় কনজারভেটিভদের। কিন্তু স্থানীয় হাসপাতালটার ব্যাপারে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।’ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী জনসন স্থানীয়দের অবজ্ঞা করছেন বলেই মনে করেন ফ্রেইটাস। তাই তিনি এলাকাবাসীর সঙ্গে অনেক বেশি ঘনিষ্ঠ মিলানির দিকে ঝুঁকেছেন। অনেকেই আগামীকালের নির্বাচনে মিলানিকে ভোট দিতে চান। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা