kalerkantho

সোমবার । ২০ জানুয়ারি ২০২০। ৬ মাঘ ১৪২৬। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ট্রাম্পকে অভিশংসন

সাংবিধানিকভাবে মামলা সাজাচ্ছে ডেমোক্র্যাটরা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সাংবিধানিকভাবে মামলা সাজাচ্ছে ডেমোক্র্যাটরা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিশংসন করার জন্য সাংবিধানিকভাবে মামলা সাজাচ্ছে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের ডেমোক্র্যাটরা। আজ সোমবার বিষয়টি নিয়ে একটি শুনানির পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে গতকাল ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত বিচার বিভাগীয় কমিটি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এর আগে এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে হাউসের গোয়েন্দা বিষয়ক কমিটি। নতুন প্রতিবেদনে অভিশংসনের আইনগত বৈধতা এবং এর ঐতিহাসিক ভিত্তির কথা বলা হয়েছে।

অভিশংসনের ধারার ব্যাপারে এ সপ্তাহের মধ্যেই হাউসে ভোটাভুটি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ট্রাম্প এই প্রক্রিয়াকে শর্ষের মধ্যে ভূত খোঁজার চেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু হয় গত সেপ্টেম্বর মাসে। সে সময় এক হুইসেল ব্লোয়ার অভিযোগ করেন, ট্রাম্প তাঁর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করার জন্য তাঁর ইউক্রেনের ওপর চাপ দিচ্ছেন। ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ, এর মাধ্যমে ট্রাম্প নির্বাচনে তাঁর জয় নিশ্চিত করতে দেশের ভেতর বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ ডেকে এনেছেন।

ট্রাম্পের অবস্থান নিয়েই গতকাল ৫২ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে হাউসের বিচার বিভাগীয় কমিটি। ট্রাম্পের অভিশংসনের ইস্যুটি গত সপ্তাহে গোয়েন্দা বিষয়ক কমিটি থেকে বিচার বিভাগীয় কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর পরই তারা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করল। এই প্রতিবেদনে প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে  মামলা কী করে সাজানো হবে এবং অভিশংসনের অতীত ভিত্তি কী, তার ওপর ফোকাস করা হয়েছে। চলমান অভিশংসন প্রক্রিয়া নিয়ে রিপাবলিকান ও হোয়াইট হাউস যেসব যুক্তি তুলে ধরেছে তাও খণ্ডন করা হয় এতে। এই প্রতিবেদন প্রসঙ্গে এক টুইটে বিচার বিভাগীয় কমিটির চেয়ারম্যান জেরি নাডলার বলেন, ‘আজকের পরিস্থিতি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা জনকদের দুঃস্বপ্নের মতো। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন, আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন এবং আমাদের নির্বাচনকে দুর্নীতিগ্রস্ত করে ফেলেছেন তিনি। সবই তাঁর ব্যক্তিগত অর্জনের জন্য। সংবিধানে এসব কর্মকাণ্ডের জন্য একটি পরিত্রাণের ব্যবস্থাই রাখা হয়েছে—অভিশংসন।’

মার্কিন সংবিধানের তিনজন বিশেষজ্ঞ ট্রাম্পের অভিশংসনকে বৈধ বলে মত দিয়েছেন। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আনা অভিশংসন প্রস্তাব খুব সহজেই হাউসে পাস হয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে সিনেট এটি নিয়ে একটি বিচার আয়োজনে বাধ্য হবে। সেটা সম্ভবত জানুয়ারির গোড়ার দিকে। যদিও সিনেটে এ প্রস্তাব পাস হতে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন হবে। রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত সিনেটে সে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া যাবে না, তা প্রায় নিশ্চিত। সূত্র : বিবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা