kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

মার্চে পার্লামেন্ট নির্বাচন করবেন গোতাবায়া

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভাইকে প্রধানমন্ত্রী করে মন্ত্রিসভা গঠনের কাজ শেষে এবার আগাম নির্বাচনের দিকে ঝুঁকেছেন শ্রীলঙ্কার নতুন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে। গতকাল শুক্রবার তিনি জানিয়েছেন, পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে আগামী মার্চেই তিনি নির্বাচনের আয়োজন করতে চান।

নিজের প্রেসিডেন্সি গ্রহণের সপ্তাহ না পেরোতেই গত বৃহস্পতিবার বড় ভাই মাহিন্দা রাজাপক্ষেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ পড়িয়েছেন গোতাবায়া। প্রধানমন্ত্রিত্বের পাশাপাশি অর্থ, আবাসন, নগরায়ণ, পানি সরবরাহ এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্ব পেয়েছেন মাহিন্দা। ১৬ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভায় আরেক ভাই চামাল রাজাপক্ষেকে করা হয়েছে কৃষি ও সেচ মন্ত্রী। নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের মাধ্যমে আধিপত্য মোটামুটি নিশ্চিত করলেও পার্লামেন্ট এখনো সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের দলের দখলে। ২২৫ আসনের পার্লামেন্টে রাজাপক্ষের দিকে আসন আছে মোটে ৯৬টি। পার্লামেন্টে সংখ্যালঘু অবস্থানে থাকায় যেকোনো আইন পাস করানো তাদের জন্য কঠিন ব্যাপার। তাই রাজাপক্ষে পরিবার পর্যায়ক্রমে প্রেসিডেন্সি ও প্রধানমন্ত্রিত্ব নিশ্চিত করার পর এবার পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পথে পা বাড়িয়েছে।

লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া আগামী মার্চেই পার্লামেন্ট নির্বাচন করতে চান। যদিও বর্তমান পার্লামেন্টের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে আগামী আগস্টে, সংবিধান অনুসারে মেয়াদপূর্তির ছয় মাস আগেই পার্লামেন্ট বিলুপ্ত করে দিয়ে আগাম নির্বাচন আয়োজনের অধিকার প্রেসিডেন্টের আছে। সেই সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগে একটুও দেরি করতে আগ্রহী নন গোতাবায়া। তিনি বলেন, ‘সংবিধান অনুসারে দ্রুততম সময়ে নির্বাচনের ব্যাপারে আমি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলব।’

পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মধ্য দিয়ে রাজাপক্ষে পরিবার আবার শ্রীলঙ্কায় তাদের আধিপত্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে বলে পর্যবেক্ষকদের অভিমত। দেশটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সিংহলি বৌদ্ধ সম্প্রদায় বিষয়টিকে আশাব্যঞ্জক হিসেবে দেখলেও সংখ্যালঘু তামিলরা আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেছে। কারণ ২০০৫ থেকে ২০১৫ মেয়াদে মাহিন্দার প্রেসিডেন্সি ও গোতাবায়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রিত্বকালে কয়েক দশকের তামিল বিদ্রোহ শক্ত হাতে দমন করা হয়েছে।

সূত্র : এএফপি, টাইমস অব ইন্ডিয়া।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা