kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

হুমকিতে পড়তে পারে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সি

আবার শুনানিতে সন্ডল্যান্ড

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২১ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হুমকিতে পড়তে পারে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সি

ডোনাল্ড ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে চলমান অভিশংসন তদন্ত প্রক্রিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটি মঞ্চস্থ হওয়ার কথা ছিল গতকাল বুধবার। এদিন (বাংলাদেশ সময় রাতে) প্রকাশ্য শুনানিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত গর্ডন সন্ডল্যান্ডের। এখন পর্যন্ত সাক্ষ্য দিতে আসা প্রায় সবাই ইউক্রেন কেলেঙ্কারির বিষয়ে সন্ডল্যান্ডের দিকে আঙুল তুলেছেন। স্পষ্ট করেই তাঁরা জানিয়েছেন, ইউক্রেন ইস্যুতে সন্ডল্যান্ড এবং ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী রুডি গিলিয়ানি মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।

সন্ডল্যান্ড অবশ্য এর আগেও হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের গোয়েন্দা কমিটির সামনে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সেটা প্রকাশ্য ছিল না। সে দফার সাক্ষ্যে তিনি অন্তত ১০০ বার বলেছেন, ট্রাম্প ও ইউক্রেনের মধ্যে কী ঘটেছে সে বিষয়গুলো তিনি মনে করতে পারছেন না। পরে অবশ্য বক্তব্য পাল্টে লিখিত বিবৃতি দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, ইউক্রেন ইস্যুটি তিনি জানেন। ট্রাম্পের মুখ বাঁচানোর জন্য সন্ডল্যান্ড আবার একই কাজ করতে পারেন অথবা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে নাটকীয়ভাবে সাক্ষ্যও দিতে পারেন।

এই সাবেক হোটেল ব্যবসায়ী যুক্তরাষ্ট্রের প্রথাগত রাজনীতি বা কূটনৈতিক পাড়ার পরিচিত কেউ নন। তিনি ট্রাম্প নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠানের জন্য ১০ লাখ ডলার অনুদান দিয়ে ইইউর রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পান। মজার বিষয় হচ্ছে, ইউক্রেন ইইউভুক্ত দেশ না হলেও তাদের বিষয়টি নিয়ে অনেক দিন ধরেই মাথা ঘামিয়ে গেছেন সন্ডল্যান্ড।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট গত ২৫ জুলাই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে টেলিফোনে আলাপের সময় ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট প্রার্থিতা প্রত্যাশী জো বাইডেনের ছেলের বিরুদ্ধে তদন্ত করার জন্য চাপ দেন। এই তদন্ত করা না হলে ইউক্রেনকে দেওয়া প্রায় ৪০ কোটি ডলারের সহায়তা আটকে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেন তিনি। এ অভিযোগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসনের তৎপরতা শুরু করা যায় কি না, তা নির্ধারণে কংগ্রেস তদন্ত শুরু করে। তারই প্রকাশ্যে শুনানি চলছে দুই সপ্তাহ ধরে।

বিভিন্ন সাক্ষীর সাক্ষ্য থেকে জানা যায়, ট্রাম্পের ফোনালাপের আগে থেকেই ইউক্রেন ইস্যুতে কলকাঠি নাড়ছেন সন্ডল্যান্ড এবং গিলিয়ানি।

ট্রাম্প প্রশাসন অবশ্য শুরু থেকেই এই তদন্তকে ধাপ্পাবাজি হিসেবে অভিহিত করে আসছে। তবে সন্ডল্যান্ডকে যদি ডেমোক্র্যাটরা কথা বলাতে পারেন তাহলে বিপর্যয় কার ঘটবে তা সময়ই বলে দেবে। সূত্র : সিএনএন, এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা