kalerkantho

রবিবার । ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৭ রবিউস সানি                    

ট্রাম্পের অভিশংসন তদন্তের শুনানি

ঝড় উঠতে পারে এ সপ্তাহেই

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঝড় উঠতে পারে এ সপ্তাহেই

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসন তদন্তের শুনানি চলছে। টেলিভিশনে প্রচারিত এ তদন্তের সাক্ষীদের বহু কথাবার্তাই ট্রাম্পের পক্ষে যাচ্ছে না। তাঁর পছন্দও হচ্ছে না। সাক্ষীদের সমালোচনা করতেও পিছপা হচ্ছেন না তিনি। প্রেসিডেন্টের চলতি সপ্তাহটা আরো ঝড়-ঝাপটায় কাটবে এমন—পূর্বাভাসই দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। কারণ এ সপ্তাহের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার ইউক্রেন কেলেঙ্কারির জের ধরে সাক্ষ্য দেওয়ার কথা।

জানা গেছে, গত শনিবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। তাঁর হাসপাতালে যাওয়া নিয়ে নানা কথাবার্তা ছড়িয়েছে। যদিও হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের দাবি, নিয়মিত শরীর পরীক্ষার অংশ হিসেবেই ট্রাম্প হাসপাতালে গিয়েছিলেন। সময়টা ট্রাম্পের অনুকূলে নয়। তার ওপর কর বিবরণী প্রকাশের জন্য চাপ রয়েছে। সম্ভবত এগুলো থেকে আলোচনা অন্যদিকে ঘোরাতেই ট্রাম্প সাক্ষীদের বিরুদ্ধে সমালোচনা করছেন। তাঁর সর্বশেষ শিকার হচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের এক সহকারী জেনিফার উইলিয়ামস। এ সপ্তাহে সাক্ষীর কাঠগড়ায় দাঁড়াবেন তিনি। এর আগেই অবশ্য জেনিফার গত ২৫ জুলাই ট্রাম্পের ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলনস্কিকে ফোন করার বিষয়টিকে ‘অযাচিত’ বলে মন্তব্য করেন। ওই ফোনালাপে ট্রাম্প তাঁর সম্ভাব্য ডেমোক্র্যাট প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেনের ছেলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার জন্য জেলনস্কির ওপর চাপ দেন। বাইডেনের ছেলের ইউক্রেনে ব্যবসা ছিল। এই তদন্ত শুরু না করলে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে যে সামরিক সাহায়তা দেয় তাও বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন ট্রাম্প। ব্যক্তিগত রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য ট্রাম্প এ কাজ করেছেন বলে অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিশংসন শুরু করা যায় কি না, সেই তদন্ত চলছে।

জেনিফারের আগামীকাল বুধবার সাক্ষ্য দেওয়ার কথা। এর আগেই এক টুইটে ট্রাম্প বলেন, ‘জেনিফার কখনোই ট্রাম্পের সমর্থক ছিলেন না। আমি তাঁকে চিনি না। তাঁর সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানি না।’ এর পরপরই পেন্সের দপ্তর জানায়, তারাও জেনিফারের সম্পর্কে তেমন কিছু জানে না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তাঁকে পেন্সের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। 

তবে জেনিফার ছাড়াও আরো অন্তত ৯ জন এ সপ্তাহে সাক্ষ্য দেবেন। এর মধ্যে রয়েছেন গর্ডন সন্ডল্যান্ড। ইউরোপীয় ইউনিয়নে যুক্তরাষ্ট্রের দূত তিনি। তিনি সম্ভবত পুরো তদন্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ হয়ে দাঁড়াতে পারেন। কারণ ইউক্রেনের সঙ্গে ট্রাম্পের যোগাযোগের মূল কলকাঠি তিনি নেড়েছেন বলে এর আগে বেশ কয়েক জন দাবি করেন। অবশ্য একই সঙ্গে সাক্ষীদের এমন দাবিও ছিল, ট্রাম্প রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য ইউক্রেনকে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন। বাকি আট সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তার সাক্ষ্য ট্রাম্পকে ঘোর বিপদে ফেলে দেবে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে তাঁদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। সূত্র : সিএনএন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা