kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

লিবিয়ায় অস্ত্র সরবরাহ

নিষেধাজ্ঞা মানছে না জর্দান তুরস্ক ও আরব আমিরাত

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লিবিয়ায় অস্ত্র সরবরাহের ওপর জাতিসংঘের যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা জর্দান, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত মানছে না। এই তিনটি দেশ নিয়মিত লিবিয়ার বিভিন্ন পক্ষের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে। যুদ্ধবিমান দিয়েও সহায়তা করছে কেউ কেউ।

জাতিসংঘের গোপন এক প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে গত বৃহস্পতিবার এসব তথ্য জানিয়েছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি। জাতিসংঘের একটি বিশেষজ্ঞদল এক বছর তদন্ত করে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

২০১১ সালে লিবিয়ায় অস্ত্র সরবরাহে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে জাতিসংঘ। প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, ‘এই তিনটি দেশ নিয়মিত এবং অনেক সময় কোনো ধরনের রাখঢাক না করেই অস্ত্র সরবরাহ করছে।’

জাতিসংঘের কূটনীতিকদের মতে, খলিফা হাফতারের অনুসারী যোদ্ধাদের জর্দান সামরিক প্রশিক্ষণ দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খলিফা হাফতার লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন এবং ত্রিপোলি দখলের লক্ষ্যে গত এপ্রিলে তিনি অভিযান চালিয়েছেন।

খলিফা হাফতারকে সহায়তা দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাতও। তারা হাফতারের পক্ষে নিজেদের যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে বলে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অবৈধ অভিবাসীদের জন্য ত্রিপোলিতে নির্মিত বন্দিশালায় গত জুলাইয়ে বোমা হামলা হয়। তাতে মৃত্যু হয় ৫০ জনের। ওই ঘটনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে সরাসরি দোষারোপ না করে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ‘এফ-১৬’ এবং ফ্রান্সের তৈরি ‘মিরেজ ২০০৯-৯এস’ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়েছে। এই দুটি মডেলের যুদ্ধবিমানই সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমানবাহিনী ব্যবহার করে।

লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী ফায়েজ আল-সারাজের সরকারকে সমর্থন দেয় তুরস্ক। জাতিসংঘের তদন্তে উঠেছে এসেছে, তুরস্ক আল-সারাজের সরকারকে সামরিক যান থেকে শুরু করে ড্রোন সরবরাহ করে থাকে।

গোপন এই তদন্ত প্রতিবেদন গত ২৯ অক্টোবর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে তুলে ধরা হয়। সেখানে বলা হয়, ‘লিবিয়ার দুই পক্ষই নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও নিয়মিত সামরিক সহায়তা পেয়ে আসছে। এ ছাড়া দুই পক্ষকে সহায়তার জন্য চাদ ও সুদানের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতিও লিবিয়ায় পাওয়া গেছে। সূত্র : এএফপি। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা