kalerkantho

রবিবার । ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৭ রবিউস সানি                    

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে টেইলরের সাক্ষ্য

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ব্যস্ততায় মনোযোগ হারায় ইউক্রেন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ব্যস্ততায় মনোযোগ হারায় ইউক্রেন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনকে দেওয়া সামরিক সহায়তা স্থগিত করার পর ওই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের চেষ্টা করেছিলেন তাঁর প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। তবে ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড কেনার উদ্যোগ নিয়ে তাঁরা এতটাই ব্যস্ত ছিলেন যে ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে কাজ করার সুযোগ তাঁদের হয়ে ওঠেনি। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে দেওয়া সাক্ষ্যে এসব কথা বলেছেন ইউক্রেনে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত বিল টেলর।

হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের ডেমোক্র্যাট সদস্যরা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যে অভিশংসন তদন্ত চালাচ্ছেন, সে তদন্তের অংশ হিসেবে গত ২২ অক্টোবর টেলরের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। গত বুধবার তাঁর পুরো বক্তব্য প্রকাশ করা হয়।

হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে দেওয়া সাক্ষ্যে টেলর জানান, আগামী মার্কিন নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর জন্য ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ট্রাম্প ইউক্রেনকে দেওয়া সামরিক সহায়তা স্থগিত করেন। কিন্তু ওই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কর্মকর্তারা  সবাই একমত ছিলেন। এ ব্যাপারে ট্রাম্পকে রাজি করাতে তাঁর সঙ্গে বৈঠকও করতে চেয়েছেন ওই কর্মকর্তারা। কিন্তু ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড কেনার আগ্রহ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এতই ব্যস্ত ছিলেন যে শেষমেষ সেপ্টেম্বরে তাঁর সঙ্গে বৈঠকে বসতে পেরেছেন তাঁরা।

টেলর আরো জানান, মাঝখানে অনেকটা সময় মন্ত্রিসভার সদস্যরা বিভিন্ন দেশে সফরে ছিলেন। ইউক্রেন ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসতে তাঁদের দেরি হওয়ার পেছনে সেটা একটা কারণ। তবে তিনি মনে করেন, ট্রাম্পের সঙ্গে শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠক বিলম্বিত হওয়ার পেছনে গ্রিনল্যান্ড কেনার আগ্রহও দায়ী। গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনেকটা সময় ও শক্তি খরচ হয়েছে মন্তব্য করেন টেলর।

ডেনমার্কের আধাস্বায়ত্তশাসিত দ্বীপ অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড কিনে ফেলার ব্যাপারে ব্যাপক আগ্রহ দেখিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। কিন্তু ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডেরিকসন মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবকে ‘অর্থহীন’ অ্যাখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড কেনাবেচা নিয়ে আলোচনার কোনো আগ্রহ নেই।’ এ নিয়ে সৃষ্ট দ্বন্দ্বের জেরে ট্রাম্প ডেনমার্ক সফর বাতিল করার মতো কূটনৈতিক অশিষ্টতা দেখিয়েছেন। তিনি অবশ্য এটাও বলেছিলেন, গ্রিনল্যান্ড কেনার ব্যাপারে তাঁর আগ্রহ থাকলেও সেটা তাঁর আগ্রহের শীর্ষে নয়। সূত্র : গার্ডিয়ান।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা