kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ব্রেক্সিট বিলম্ব হলে সাধারণ নির্বাচন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্রেক্সিট বিলম্বে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্মত হলে সাধারণ নির্বাচনের পথে হাঁটতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ইইউ অবশ্য জানুয়ারি পর্যন্ত ব্রেক্সিট পিছিয়ে দেবে বলে আভাস দিয়েছে। এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার জনসন তাঁর আনা ব্রেক্সিট প্রস্তাবে এমপিদের সমর্থন পেলেও মাত্র তিন দিনের মধ্যে তাঁরা এই প্রস্তাব অনুমোদন করতে চাননি। 

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক ইইউর ২৭ সদস্য ব্রেক্সিট বিলম্বের পক্ষে মত দিয়েছে। বিষয়টি পাস হলে ব্রেক্সিট ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত পিছিয়ে যাবে। এর মধ্যেই সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন সেরে নিতে চাইছেন জনসন। আর ইইউ যদি এর মধ্যে অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেন তাহলে আগামী ৩১ অক্টোরব ইইউ থেকে চুক্তি ছাড়াই বের হয়ে যাবে ব্রিটেন। সে ক্ষেত্রে ব্রিটেনের হাতে আর মাত্র সাত দিন সময় আছে।

ব্রিটিশ এমপিরা অবশ্য জনসনের আনা প্রস্তাব নাকচ করে দেননি। ২০১৬ সালে ব্রেক্সিট প্রশ্নে গণভোটের পর এই প্রথম ব্রিটিশ এমপিকে ব্রেক্সিট প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন দিলেন। এর আগে জনসনের পূর্বসূরি টেরেসা মের আনা ব্রেক্সিট প্রস্তাব তিন দফা প্রত্যাখ্যান করেন তাঁরা।

জনসন গত মঙ্গলবার ভোটাভুটির আগে বলেন, ‘জানুয়ারি পর্যন্ত ব্রেক্সিট পিছিয়ে দেওয়া সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই একটি সাধারণ নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। সেই নির্বাচনে ব্রেক্সিট সম্পন্ন করার পক্ষে আমি প্রচার চালাব।’ আর ব্রেক্সিটের আগে যদি তিন মাস সময় পাওয়া যাওয়া যায়, তাহলে নতুন বছর শুরু হওয়ার আগেই নতুন নির্বাচন সম্পন্ন হবে। তবে এর বাস্তবায়নের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ এমপির সমর্থনের প্রয়োজন হবে। এর আগে লেবার দলের বিরোধিতার জন্য দুই দফা নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা ভেস্তে যায়।

বিচারমন্ত্রী রবার্ট বাকল্যান্ড বলেন, ব্রেক্সিট কার্যকরের জন্য কতটা সময় দেওয়া হবে তা ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্ধারণ করবে। বিবিসি রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন আয়োজন ছাড়া আমাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই। আমার মনে হচ্ছে চলমান অচলাবস্থা ভাঙার এটিই একমাত্র পথ।’ সূত্র : এএফপি, বিবিসি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা