kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নতুন করে বিক্ষোভের ডাক

বার্সেলোনায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ, আহত ১৫০

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্বাধীনতাকামী ৯ নেতার কারাদণ্ডের প্রতিবাদে গত শুক্রবার রাতে কাতালোনিয়ার রাজধানী বার্সেলোনায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে দেড় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে। পরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপের পাশাপাশি বরার বুলেট ছোড়ে পুলিশ। এদিকে ‘দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে’ নতুন করে বার্সেলোনায় বিক্ষোভ প্রদর্শনের ডাক দিয়েছে স্বাধীনতাকামী তরুণদের সংগঠন অ্যারান।

২০১৭ সালে কাতালোনিয়ায় স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলনে ভূমিকার জন্য গত সোমবার ৯ স্বাধীনতাকামী নেতাকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন স্পেনের সুপ্রিম কোর্ট। বিচারে কাতালোনিয়ার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রিয়ন জুনকেলাসকে ২৫ বছর কারাদণ্ড দেওয়ার দাবি করেছিলেন স্পেনের সরকারি কৌঁসুলিরা। রাষ্ট্রদ্রোহ ও সরকারি তহবিলের অপব্যবহারের দায়ে পরে তাঁকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ রায় ঘোষণা হওয়ার পরপরই সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করে কাতালানরা। সেই বিক্ষোভ শুক্রবারও অব্যাহত ছিল।

কাতালোনিয়ার জরুরি সেবা গতকাল শনিবার জানায়, শুক্রবার রাতে বার্সেলোনায় সংঘর্ষ চলাকালে ১৫২ জন আহত হয়েছে। এ ছাড়া কাতালোনিয়ার অন্য অঞ্চলেও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে আহত হয় আরো কয়েক ডজন মানুষ। কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনে এখন পর্যন্ত ৫০০ জন মানুষ আহত হয়েছে। অঞ্চলটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, শুক্রবার রাতে সহিংস বিক্ষোভ থেকে ৮৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তবে শুক্রবারের আগে ১২৮ জনকে আটকের কথা জানিয়েছিল পুলিশ।

এদিকে সব ধরনের ‘বিক্ষোভের নিন্দা জানিয়ে’ গতকাল বার্সেলোনা শহরের মেয়র অ্যাডা কোলাউ বলেছেন, ‘এ ধরনের পরিস্থিতি এখানে কোনো অবস্থাতেই চলতে পারে না। বার্সেলোনা সহিংসতার জন্য নয়।’ ৭৫ বছর বয়সী স্বাধীনতাকামী এক ব্যক্তি বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা আমাদের জন্য খুবই দুঃখজনক একটি বিষয়। এটি আমাদের লক্ষ্য অর্জনে কোনোভাবেই সহায়তা করবে না।’

স্বাধীনতাকামী নেতাদের মুক্তির দাবিতে শুক্রবার কাতালোনিয়ার পাঁচটি শহরের প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ বার্সেলোনায় এসে জড়ো হয়। ধারণা করা হচ্ছে সোমবার আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত সবচেয়ে বড় জমায়েত ছিল এটি। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা