kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বরিসের চুক্তি

ইইউ মেনেছে, ব্রিটেন মানবে তো?

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আলোচনা-সমালোচনা, সমর্থন-বিরোধিতার মধ্য দিয়ে অবশেষে পাওয়া ব্রেক্সিট চুক্তি আজ শনিবার ব্রিটেনের পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্সে উঠছে। সুযোগটা হাতছাড়া করতে চান না ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিসন জনসন। তাই ব্রেক্সিট চুক্তির প্রতি কমন্স নেতাদের সমর্থন নিশ্চিত করতে উঠেপড়ে লেগেছেন তিনি। গতকাল শুক্রবার তাঁর সহযোগীরা বিরোধী শিবিরের সমর্থন আদায়ে গোটা দিন ব্যয় করেছেন।

ব্রেক্সিটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে উত্তর আয়ারল্যান্ডের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক কেমন হবে, তা নিয়ে বিতর্কের জেরে তিন বছর ধরে আটকে আছে ব্রিটেন-ইইউ বিচ্ছেদ। গত বৃহস্পতিবার ইইউ-ব্রিটেন ব্রেক্সিট চুক্তির বিষয়বস্তু নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছায় এবং ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত ইউরোপীয় কমিশনের (ইসি) সম্মেলনে চুক্তিটি পাস হয়ে যায়।

ইসিতে পাস করিয়ে আনা সেই চুক্তি নিয়ে গতকাল দেশে পৌঁছেছেন জনসন। এবার তাঁর লক্ষ্য পার্লামেন্ট সদস্যদের সমর্থন আদায়। জনসনের কনজারভেটিভ পার্টি এখন পার্লামেন্টে সংখ্যালঘু হওয়ায় সমর্থন নিশ্চিত করা তাঁর জন্য জরুরি। এদিকে ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টি (ডিইউপি), লেবার পার্টি, স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি (এসএনপি) ও লিবারেল ডেমোক্রেটিকের মতো শক্তিশালী দলগুলো এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, ইসিতে পাস হওয়া চুক্তিতে তারা সমর্থন দেবে না।

জনসন অবশ্য ইউরোপীয় নেতাদের কাছে ভীষণ আত্মপ্রত্যয়ী মনোভাব প্রকাশ করে এসেছেন। ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্যদের সমর্থন আদায়ের অঙ্গীকার করে দেশে ফিরে তিনি সাংবাদিকদের কাছেও একই মনোভাব দেখান। তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী যে আমার পার্লামেন্ট সহকর্মীরা যখন এ চুক্তি পড়বেন, তখন শনিবার তাঁরা এর পক্ষেই ভোট দিতে চাইবেন। আর তারপর শুধু সাফল্যে ভরা দিন।’ তিনি আরো বলেন, ‘যুক্তরাজ্যে গণতন্ত্রকামী হিসেবে ব্রেক্সিট কার্যকর করা এবং ৩১ অক্টোবর (ইইউ থেকে) বেরিয়ে আসার এটাই সুযোগ।’

প্রয়োজনে ইইউর সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই ব্রেক্সিট কার্যকর করবেন, এমন কথা বললেও অবশেষে তিনি জোটের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছেছেন। আজ শনিবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্সে চুক্তি নিয়ে বিতর্ক হবে। অধিবেশন শুরুর আগে কমন্স নেতাদের সমর্থন নিশ্চিত করাই এখন জনসনের একমাত্র লক্ষ্য। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা