kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নোবেলজয়ী আবদুস সালাম

পাকিস্তানে যাঁর নাম নেওয়া হয় না

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাকিস্তানে যাঁর নাম নেওয়া হয় না

১৯৭৯ সালে পাকিস্তানি বিজ্ঞানী আবদুস সালাম পদার্থবিদ্যায় নোবেল জিতেছিলেন। পদার্থবিদ্যার যে তত্ত্বটি তিনি আবিষ্কার করেন তা আজও ব্যবহার করা হয়। এটাই ২০১২ সালের ‘হিগস বোসন’ কণার আবিষ্কারের ভিত্তি তৈরি করেছিল। পাকিস্তানের হয়ে প্রথম নোবেল জিতেছিলেন আবদুস সালাম। তাঁর নোবেল জয় পাকিস্তানের জন্য ঐতিহাসিক ঘটনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এর পরিবর্তে এই ৪০ বছর পরেও তাঁর জয়ের গল্প দেশটির বড় অংশই ভুলে  গেছে।

আর এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে তাঁর ধর্ম বিশ্বাস। তিনি আহমেদিয়া। যাদের পাকিস্তান মুসলমান হিসেবেও স্বীকার করে না। এমনকি পাকিস্তানে তাঁর কবর থেকে ‘প্রথম নোবেলজয়ী মুসলিম’ লেখা এপিটাফ থেকে মুসলিম শব্দটি মুখে ফেলা হয়। যদিও পাকিস্তানের নাগরিক থাকার জন্য তিনি বহুবার বহু দেশের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন।

এখন তাঁকে নিয়ে ডকুমেন্টারি বানাচ্ছে নেটফ্লিক্স। চলচ্চিত্র প্রযোজক জাকির থাভের বলেন, ‘সালাম ছিলেন প্রথম মুসলিম, যিনি নোবেল জয় করেছিলেন। নোবেল পদক নেওয়ার সময় ভাষণে তিনি কোরআনকে উদ্ধৃত করেন।’ ছবিটিতে আবদুস সালামের তিনটি বিষয় উঠে এসেছে : তাঁর পদার্থবিদ্যা, তাঁর বিশ্বাস এবং তাঁর জাতীয়তা। ব্রিটিশ ভারতের জং শহরে ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি পান ও সেন্ট জোনস কলেজে অল্প কয়েকজন দক্ষিণ এশীয়র মধ্যে তিনি একজন। ডক্টরেট শেষ করে তিনি আবার লাহোরে ফিরে গিয়ে গণিতের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। জীবনভর অধ্যাপক সালাম ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ মুসলিম। লন্ডনে নিজের অফিসে বসেও তিনি কোরআন শুনতেন। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ধর্ম কখনোই প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেনি। বরং অনেক ক্ষেত্রে তাঁর কাছে এটি ছিল একটি আরেকটির সহায়ক। সূত্র : বিবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা