kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সিরিয়ায় যুদ্ধবিরতি চায় যুক্তরাষ্ট্র

এরদোয়ানকে রাজি করাতে আংকারায় পেন্স-পম্পেও

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এরদোয়ানকে রাজি করাতে আংকারায় পেন্স-পম্পেও

সিরিয়ায় যুদ্ধবিরতিতে তুরস্ককে রাজি করাতে গতকাল আংকারায় পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স। এর আগে আলাদা বিমানে চড়ে সেখানে হাজির হন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নাকচ করে দেওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্র চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি সিরিয়া ইস্যুতে ঘটে চলেছে আরো অনেক ঘটনা।

তুরস্ক সিরিয়ায় যুদ্ধবিরতি না করার ঘোষণা দেওয়ার পরও মার্কিন সরকারের এ দুই শীর্ষ কর্মকর্তা তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের উদ্দেশ্যে আংকারায় গেছেন।

সিরিয়ায় তুরস্কের হামলা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের এ চেষ্টার পাশাপাশি হোয়াইট হাউসে গত বুধবার বৈঠক করেন কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান সদস্যরা। বৈঠককালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ডেমোক্র্যাট নেতা ও হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। ট্রাম্প বিধ্বস্ত পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন—পেলোসির এমন মন্তব্যের পর তাঁকে তৃতীয় শ্রেণির রাজনীতিক অভিহিত করেন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের এমন অশোভন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় শীর্ষ ডেমোক্র্যাট নেতারা বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান।

একই দিন ট্রাম্পের সিরিয়া নীতির নিন্দা জানিয়ে প্রস্তাব পাস করেছে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ। হাউসের রিপাবলিকান নেতারাও এতে সমর্থন দেন। ট্রাম্প অবশ্য সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে ‘কৌশলগতভাবে বুদ্ধিদীপ্ত’ আখ্যা দিয়েছেন।

এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্টিভেন এমনুচিন জানিয়েছেন, সিরিয়ায় হামলা বন্ধ না করলে তুরস্কের ওপর আরো অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দেবে মার্কিন প্রশাসন। তুরস্কের দুই মন্ত্রণালয় ও তিন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এরই মধ্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মার্কিন সরকার।

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়ার পর গত ৯ অক্টোবর থেকে সেখানে কুর্দিবিরোধী সামরিক অভিযান শুরু করে তুরস্ক। হামলা চলাকালে এরই মধ্যে ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানায়, সিরিয়ার ওই অঞ্চলে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এদিকে তুরস্কের হামলার জেরে কুর্দিদের নিয়ন্ত্রণাধীন বন্দিশিবিরগুলো অরক্ষিত হয়ে পড়ায় ওই সব শিবির থেকে পালাতে শুরু করেছে ইসলামিক স্টেটসহ (আইএস) অন্য জঙ্গিরা। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা