kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বাবরি মসজিদ মামলা

শুনানি শেষ, এখন রায়ের অপেক্ষা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারতের প্রধান বিচারপতির রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গতকাল বুধবার অযোধ্যার রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ ভূমি বিরোধসংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষ করেছেন। তবে রায় ঘোষণা আপাতত স্থগিত রেখেছেন বিচারকরা। শুনানির শেষ দিনই ভারতীয় জনতার পার্টির (বিজেপি) নেতা সাক্ষী মহারাজ বিতর্কিত জমিতে রাম মন্দির নির্মাণের ঘোষণা দেন।

টানা ৪০ কর্মদিবস শুনানি শেষে গতকাল নির্ধারিত সময়ের আগেই শুনানি শেষ হয়। সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে গতকাল মামলার শুরুতে আরো সময় চাওয়া হলেও প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘বিকেল ৫টায় শুনানি শেষ হতেই হবে।’ সে অনুযায়ী শুনানি শেষ হয়। তবে রায় হতে পারে কমপক্ষে ২৩ দিন পর। আগামী ১৭ নভেম্বর অবসর নিচ্ছেন প্রধান বিচারপতি গগৈ। তার আগেই রায় ঘোষণা করা হতে পারে।

অযোধ্যার ভূমি নিয়ে বিবদমান পক্ষগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় চলতি বছরের ৬ আগস্ট থেকে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চে স্পর্শকাতর এ মামলার শুনানি শুরু হয়। সপ্তাহব্যাপী দশেরা উৎসবের ছুটি শেষে গত সোমবার থেকে মামলাটির শেষ পর্বের শুনানি শুরু হয়।

রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ ভূমি বিরোধ মামলার রায় নিয়ে যেন কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি না হয়, সে জন্য অযোধ্যায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে উত্তর প্রদেশ সরকার।

এদিকে গতকাল বিজেপির পার্লামেন্ট সদস্য (এমপি) সাক্ষী মহারাজ ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ৬ ডিসেম্বর থেকে বিতর্কিত ভূমিতে রাম মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে। ১৯৯২ সালের এই দিনেই বাবরি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এ তারিখে মন্দির নির্মাণ শুরুর ব্যাপারে এ এমপি বলেন, ‘এটা অত্যন্ত যৌক্তিক যে মন্দির নির্মাণ সে তারিখেই শুরু করা উচিত, যে তারিখে ওই অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছিল।’

ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলো আরো জানায়, গতকাল মামলা থেকে নিজেদের প্রত্যাহারের চেষ্টা করেছে সুন্নি ওয়াক্ফ বোর্ড। এ বোর্ডের চেয়ারম্যান জেড এ ফারুকি বোর্ডের নামে অবৈধভাবে জমি কেনাবেচা করেছেন, এমন অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন (এফআইআর) দাখিল হওয়া নিয়ে বোর্ডের সদস্যদের মতবিভেদের মধ্যে এ খবর প্রকাশ পেল।  সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা