kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

অভিজিতের নোবেল জয়

অস্বস্তিতে বিজেপি!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অস্বস্তিতে বিজেপি!

ম্যাসাচুসেটসের এমআইটিতে স্থানীয় সময় গত সোমবার সংবাদ সম্মেলনে অভিজিৎ ও তাঁর স্ত্রী এস্তার ডুফলো। ছবি : রয়টার্স

দ্বিতীয় বাঙালি অর্থনীতিবিদ হিসেবে নোবেল জয় করে ভারতের মানুষের শ্রদ্ধায় ভাসছেন অভিজিৎ। খবরটা কলকাতায় পৌঁছাতেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক টুইটে বলেন, ‘আরো এক বাঙালি দেশের মুখ উজ্জ্বল করলেন।’ ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই অভিনন্দন জানিয়ে টুইট করেন সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অত্যন্ত তৎপর প্রধানমন্ত্রী চুপ ছিলেন বেশ কিছুক্ষণ। চার ঘণ্টা পর টুইট করেন নরেন্দ্র মোদি। অভিনন্দন বার্তা দেন।

সরকারের এই নির্লিপ্ততা নিয়ে সংগত কারণেই প্রশ্ন উঠছে রাজনীতির মাঠে। আসলে এ প্রশ্নের জবাব পাওয়া খুব কঠিন নয়। কারণ এটা সবারই জানা যে অভিজিৎ মোদি ঘরানার লোক নন। অভিজিৎ জওয়াহেরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। এই বিশ্ববিদ্যালয় পুরোপুরি মোদির হিন্দুত্ববাদের বিরোধী। অতীতে মোদি সরকারের অনেক নীতির সমালোচনা করেছেন তিনি। বিরোধী কংগ্রেস দলের মূল নীতিগুলোর সঙ্গে একমত তিনি।

২০১৬ সালের নভেম্বরে পুরো ভারত থেকে ৫০০ ও এক হাজার রুপির নোট উঠিয়ে নেয় মোদি সরকার। সরকারের ওই পদক্ষেপের প্রকাশ্যে তীব্র সমালোচনা করেছিলেন অভিজিৎ। অভিজিতের মোদিবিরোধী অন্যান্য কর্মকাণ্ডের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দেশের জিডিপির পরিসংখ্যানের তথ্য কারসাজি নিয়ে প্রশ্ন তোলা। ভারতের মোট দেশজ উৎপাদন যে পদ্ধতিতে নির্ণয় করা হয়, তার সমালোচনা করেছিলেন অভিজিৎ।

এ ছাড়া ২০১৯ সালে সাধারণ নির্বাচনের আগে বিরোধী দল কংগ্রেসকে ন্যূনতম আয়ের গ্যারান্টি পরিকল্পনা তৈরি করতে সহায়তা করেছিলেন অভিজিৎ। তবে অভিজিৎ বরাবরই সরকারবিরোধী, স্পষ্টবাদী ও নির্ভীক হিসেবে পরিচিত। সরকারবিরোধী মনোভাব জেএনইউ ক্যাম্পাসেই তৈরি হয় তাঁর। তিনি ছাত্ররাজনীতিও করেছেন। সূত্র : কোয়ার্টজ ইন্ডিয়া, ইকোনমিক টাইমস, আনন্দবাজার, রয়টার্স।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা