kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নেপাল সফরে শি চিনপিংয়ের হুঁশিয়ারি

চীনকে ভাঙার চেষ্টা হলে হাড় গুঁড়িয়ে দেব

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চীনকে ভাঙার চেষ্টা হলে হাড় গুঁড়িয়ে দেব

চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, তাঁর দেশকে বিভক্ত করার চেষ্টা করা হলে হাড় গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। বেইজিংয়ের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ানো হংকংয়ের মাসব্যাপী অব্যাহত বিক্ষোভ এবং উইঘুর মুসলিম সংখ্যালঘুদের সঙ্গে চীনের আচরণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনার প্রেক্ষাপটে গতকাল রবিবার নেপালি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। এ ছাড়া দুই দিনব্যাপী সফরে গিয়ে নেপালকে পাঁচ হাজার ৬০০ কোটি রুপি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চীনা প্রেসিডেন্ট।

চীনের রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানায়, সফরের দ্বিতীয় দিন গতকাল কাঠমাণ্ডুতে নেপালি প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির সঙ্গে বৈঠক করেন চীনা প্রেসিডেন্ট। এ সময় তিনি নেপালি প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, কেউ যদি চীনের কোনো অংশকে বিভক্ত করতে চায়, তাহলে এর পরণতি হবে তার শরীর চূর্ণবিচূর্ণ করে দেওয়া এবং হাড় গুঁড়া করে দেওয়া। আর চীনকে ভাঙার মতো কোনো চেষ্টায় কোনো বিদেশি শক্তি যদি সমর্থন জোগায়, তাহলে চীনা জনগণের কাছে তা একটি অবাস্তব কল্পনা হিসেবেই গণ্য হবে।

গত ২৩ বছরে প্রথম কোনো চীনা প্রেসিডেন্ট নেপাল সফরে গেলেন। দুই দিনব্যাপী ভারত সফর শেষ করে গত শনিবার শি চিনপিং অনানুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় সফরে নেপালে যান। সফরে দুই পক্ষই তিব্বতের সঙ্গে দেশটির রেল লিংক স্থাপন চুক্তি হবে বলে প্রত্যাশা করে আসছে।

বৈঠকে নেপালি প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ‘এক চীন নীতির’ প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে বলেন, তাঁর দেশ তাঁদের মাটি ব্যবহার করে চীনবিরোধী কোনো তৎপরতাকে সমর্থন দেবে না।

এর আগের দিন নেপাল সফরের প্রথম দিন শনিবার দেশটির প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারির সঙ্গে বৈঠক করেন চীনা প্রেসিডেন্ট। এ সময় শি চিনপিং আগামী দুই বছর নেপালের উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য পাঁচ হাজার ৬০০ কোটি নেপালি রুপি (তিন হাজার ৫০০ কোটি রেনমিনবি) সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দেন। বৈঠককালে দুই প্রেসিডেন্ট দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক স্বার্থ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। চিনপিং কাঠমাণ্ডুর সঙ্গে তাতোপানি ট্রানজিট পয়েন্টের সংযোগকারী আরনিকো মহাসড়ক আধুনিকায়নে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন, যা ২০১৫ সালের ভূমিকম্পে বন্ধ হয়ে পড়েছিল।

বৈঠককালে চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমাদের মধ্যে রয়েছে বিশ্বের মডেল বন্ধুত্ব এবং দুই দেশের মধ্যে কোনো ঝামেলাও নেই।’ এ সময় দুই নেতাই সম্পর্ক এগিয়ে নিতে একমত হয়েছেন জানিয়ে চিনপিং বলেন, ‘নেপালের স্বপ্ন পূরণে আমরা সহায়তা করতে চাই।’ সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা