kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ভারতের সংস্কৃতিকর্মীদের বিস্ময়

প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন খোলা চিঠি রাষ্ট্রদ্রোহ হয় কী করে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন  খোলা চিঠি রাষ্ট্রদ্রোহ হয় কী করে

জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠি লিখলে সেটা কী করে রাষ্ট্রদ্রোহ হতে পারে, সেই প্রশ্ন উত্থাপন করে নতুন চিঠি লিখেছে ভারতের সাংস্কৃতিক সম্প্রদায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশে গত জুলাইয়ে লেখা খোলা চিঠি নিয়ে যে উত্তেজনা চলছে, সেটার জেরে গত সোমবার সাংস্কৃতিক সম্প্রদায়ের ১৮০ জন নতুন ওই চিঠি লেখেন।

ভারতে গণপিটুনির হার ক্রমাগত বাড়তে থাকায় উদ্বেগ জানিয়ে গত জুলাইতে প্রধামন্ত্রীর উদ্দেশে খোলা চিঠি দিয়েছিলেন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ৪৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাঁদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে ভারতীয় দণ্ডবিধির বেশ কয়েকটি ধারায় গত ৩ অক্টোবর বিহার রাজ্যের মুজাফফরপুরে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন (এফআইআর) দাখিল করা হয়। এ এফআইআর দাখিলের প্রতিবাদে গত সোমবার আরেকটি চিঠি লিখেছেন ১৮০ জন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। সেই সঙ্গে তাঁরা গত জুলাইয়ে লেখা চিঠিটি আবার তুলে ধরেন। নতুন চিঠিলেখকদের মধ্যে বলিউডের অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহও রয়েছেন।

গত সোমবারের চিঠিতে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা লিখেছেন, ‘সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আমাদের ৪৯ সহকর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে স্রেফ এ কারণে যে তাঁরা নাগরিক সমাজের সম্মানিত সদস্য হিসেবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন। আমাদের দেশে গণপিটুনির প্রবণতায় উদ্বেগ জানিয়ে তাঁরা প্রধানমন্ত্রী বরাবর খোলা চিঠি লিখেছেন।’ চিঠিলেখকদের প্রশ্ন, ‘এটাকে কি রাষ্ট্রদ্রোহমূলক কর্মকাণ্ড বলা যেতে পারে?’ এফআইআর দাখিলে মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের হয়রানি করা হচ্ছে, এমন অভিযোগ করে তাঁরা এর নিন্দা জানান এবং এর বিরুদ্ধে তাঁদের প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানান।

চিঠিতে আরো বলা হয়, ‘ভারতীয় সাংস্কৃতিক সম্প্রদায়ের সদস্য হিসেবে, বিবেকবান নাগরিক হিসেবে আমরা প্রত্যেকে এ ধরনের হয়রানির নিন্দা জানাই। শুধু তা-ই নয়, প্রধানমন্ত্রী বরাবর আমাদের সহকর্মীদের লেখা চিঠির প্রতিটি শব্দের প্রতি আমরা সমর্থন জানাই।’ সে জন্যই তাঁরা এবার চিঠি লিখেছেন বলে উল্লেখ করেন। সূত্র : পিটিআই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা