kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

হংকং সংকট

দাঙ্গা পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চীনা সীমান্তের কাছে হংকংয়ের দাঙ্গা পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। টানা আন্দোলনের ১৬তম সপ্তাহে গতকাল শনিবার তুয়েন মুন শহরে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ও ককটেল ছোড়ে বিক্ষোভকারীরা। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করতে দেখা গেছে।

যুক্তরাজ্য ১৯৯৭ সালে চীনের কাছে হংকংকে হস্তান্তর করে। বর্তমানে সেখানে আধাস্বায়ত্তশাসিত শাসনব্যবস্থা চালু আছে। শুরুতে প্রত্যর্পণ বিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হলেও এখন সেখানে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সংস্কারের দাবি জোরালো হয়েছে।

গতকাল হংকংয়ের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তুয়েন মুনে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ শুরু হয়। তবে কর্মসূচি চলাকালে স্থানীয় সরকারের একটি কার্যালয়ের সামনে থেকে চীনের পতাকা নামিয়ে ফেলা হয়। এ সময় ওই পাতাকায় আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরে বিক্ষোভকারীরা একটি পার্কে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের চেষ্টা করে। এ সময় দাঙ্গা পুলিশ এসে গ্রেপ্তার শুরু করলে আন্দোলনকারীরা প্রতিরোধের চেষ্টা করে। তবে পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেট ও টিয়ার শেলে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে বিড়াল-ইঁদুর খেলা চলে।

ক্যালভিন তান (২২) নামের এক আন্দোলনকারী বলেন, বেশির ভাগ বিক্ষোভকারীই এখন দীর্ঘমেয়াদি সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত। আন্দোলনের ছোট ছোট ধাপই একসময় বিজয়ের মুখ দেখবে।

প্রস্তাবিত প্রত্যর্পণ বিল নিয়ে গত জুন থেকে হংকংয়ে সরকারবিরোধী বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। বিতর্কিত ওই বিলে বলা হয়, ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত হংকংয়ের যেকোনো বাসিন্দাকে তাইওয়ান, ম্যাকাউ বা চীনের মূল ভূখণ্ডে পাঠানো যাবে। তবে বহিঃসমর্পণের ক্ষেত্রে হংকংয়ের আদালতের অনুমতি নিতে হবে। বেইজিংপন্থী হংকং সরকারের দাবি, বহিঃসমর্পণের সুযোগ না থাকায় চীনের অন্যান্য অংশের অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে হংকং। তবে সমালোচকদের আশঙ্কা, হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থী রাজনীতিকদের ওপর দমন-পীড়ন চালাতে চীন ওই বিলকে কাজে লাগাতে পারে। পরে ওই বিল স্থগিত ঘোষণা করা হলেও আন্দোলন এখনো থামেনি।

সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা