kalerkantho

হাউস অব কমনসের অধিবেশন মুলতবি

শেষ মুহূর্তে চুক্তির চেষ্টায় জনসন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জুলাই মাসে ক্ষমতা গ্রহণের পর এই প্রথম ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন জানালেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটি বিচ্ছেদ চুক্তিতে পৌঁছাতে কঠোর পরিশ্রম করছেন তিনি। গত মঙ্গলবার যখন জনসন এ তথ্য জানান তার আগেই মুলতবি করে দেওয়া হয়েছে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সের অধিবেশন। এই মুলতবি ঘোষণা নিয়ে ব্রিটিশ রাজনীতির পানি কম ঘোলা হয়নি। একই দিন স্কটল্যান্ডের এক আদালত জানিয়েছেন, এভাবে দীর্ঘ সময়ের জন্য অধিবেশন মুলতবি রাখা বেআইনি।

জনসন গত মঙ্গলবার নর্দান আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাডকারের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে সাংবাদিকদের জনসন বলেন, ‘আমরা একটি (ব্রেক্সিট) চুক্তিতে পৌঁছাতে কঠোর পরিশ্রম করছি। আমার বিশ্বাস, চুক্তি অর্জনে সক্ষম হব। তবে দরকার হলে চুক্তি ছাড়াও বের হতে পারি।’

জনসন অবশ্য ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই চুক্তি ছাড়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ব্রেক্সিট কার্যকরের কথা বারবার বলে আসছেন। ফলে গ্রীষ্মকালীন ছুটি শেষে পার্লামেন্ট বসার পর থেকেই এমপিদের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় চুক্তিসহ ব্রেক্সিট কার্যকরে জনজনকে বাধ্য করা। আর তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনে ব্রেক্সিটের বেঁধে দেওয়া ৩১ অক্টোবরের সময় তৃতীয়বারের মতো তিন মাস পিছিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে পার্লামেন্টে ভোটাভুটিও করেন তাঁরা। ফলে পার্লামেন্টের তরফ থেকে বড় ধরনের চাপ রয়েছে জনসনের ওপর। মূলত এই চাপ হালকা করতেই পার্লামেন্ট অধিবেশন মুলতবি করার সিদ্ধান্ত নেন জনসন। যা গত মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হয়েছে।

জানা গেছে, জনসনের একটি প্রতিনিধিদল বর্তমানে চুক্তি নিয়ে আলোচনায় ব্রাসেলসে রয়েছে। মঙ্গলবারও তারা ইইউ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। তবে এসব আলোচনার ফল জানা যায়নি। সম্ভবত এই আলোচনাকেই চুক্তির চেষ্টা হিসেবে দেখাতে চাইছেন জনসন।

সূত্র : এএফপি, বিবিসি।

মন্তব্য