kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

প্রধানমন্ত্রিত্ব ও ব্রেক্সিট রক্ষায় মরিয়া জনসন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



প্রধানমন্ত্রিত্ব ও ব্রেক্সিট রক্ষায় মরিয়া জনসন

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন নিজের চাকরি বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তবে তা কোনোভাবেই ব্রেক্সিটে ছাড় দিয়ে নয়। বরং বিকল্প চালে খেলতে চান তিনি। আপাতত দুইভাবে এগোনোর পরিকল্পনা তাঁর। প্রথমত, ফের আগাম নির্বাচনের পক্ষে পার্লামেন্টের মত আদায়ের চেষ্টা করবেন তিনি। মোটামুটি নিশ্চিত যে এতে গত সপ্তাহের মতো নেতিবাচক ফলই পাওয়া যাবে। আর দ্বিতীয়ত, পার্লামেন্টের অধিবেশন মুলতবি করা। গতকাল সোমবার পার্লামেন্ট বসার কথা ছিল। আশা করা হচ্ছে, বৃহস্পতিবারের মধ্যে কোনো একদিন মুলতবির ঘোষণা পাওয়া যাবে। এতে আপাতত গৃহবিবাদ থেকে মুক্তি পাবেন তিনি।

আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট কার্যকরে বদ্ধপরিকর জনসন। তা চুক্তিসহ হোক বা চুক্তি ছাড়া। আর এই দুটি বিষয় নিয়েই আপত্তি আছে পার্লামেন্টের। তারা কোনোভাবেই চুক্তি ছাড়া ব্রেক্সিটে সম্মত নয়। আবার জনসনের পূর্বসূরি টেরেসা মে যে চুক্তির বিষয়ে ইইউ থেকে সম্মতি এনেছেন তাতেও সম্মতি নেই পার্লামেন্টের। অন্যদিকে এই চুক্তি ছাড়া আর কোনো সমঝোতা মানতে নারাজ ইইউ। ফলে ত্রিশঙ্কু অবস্থায় আছেন জনসন। মূলত পরিস্থিতির জটিলতার কারণেই তিনি চুক্তি ছাড়াই ইইউর সঙ্গে ৪৬ বছরের সম্পর্কে ইতি টানতে অধিক আগ্রহী।

আর এ লক্ষ্যে তাঁর নিজ বাড়িতে যে বিরোধ চলছে তা থেকে মুক্তি পেতে চান তিনি। এ কারণেই এবার পার্লামেন্ট বসার আগে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে দিয়ে পার্লামেন্টের অধিবেশন ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত মুলতবি রাখার ঘোষণা করিয়ে রেখেছেন। পাশাপাশি আগাম নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টাও রয়েছে তাঁর। গতকাল এ প্রস্তাব পার্লামেন্টে তোলার কথা ছিল। যদিও এর ব্যর্থতার বিষয়টিও মোটামুটি নিশ্চিত।

গত সপ্তাহে ব্রেক্সিট বিলম্বিত করার প্রস্তাবে ভোট দিয়ে দল থেকে বিতাড়িত হন ২১ নেতা। তাঁদের মধ্যে জনসনের নিজের ভাই এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের নাতিও রয়েছেন। ফলে পার্লামেন্টে বর্তমানে জনসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই।

তবে এসব জটিলতার মধ্যে থেকেও জনসনের দুই জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী বলেছেন, পরিস্থিতির কারণে জনসনের সামনে এখন পদত্যাগ ছাড়া আর কোনো পথ নেই—এমন তাঁরা মনে করেন না। তবে জনসন কোন পথে এগোবেন, সে ব্যাপারেও স্পষ্ট কোনো ধারণা দিতে পারেননি তাঁরা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাব বলেন, ‘তিনি কোনোভাবেই আইন লঙ্ঘন করবেন না।’ জনসনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভেদ বলেন, ‘আমাদের একটি পরিকল্পনা আছে। সেই হিসেবেই আমরা এগোচ্ছি।’ সূত্র : এএফপি, সিএনএন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা