kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ধেয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের দিকে

ডোরিয়ানের আঘাতে বাহামায় মৃত্যু বেড়ে ৩০

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ডোরিয়ানের আঘাতে বাহামায় মৃত্যু বেড়ে ৩০

বাহামা দ্বীপপুঞ্জে ঘূর্ণিঝড় ডোরিয়ানের ধ্বংসযজ্ঞ। বৃহস্পতিবার তোলা ছবি। ছবি : এএফপি

ঘূর্ণিঝড় ডোরিয়ানের আঘাতে বাহামায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী হুবার্ট মিনিস বৃহস্পতিবার সিএনএনকে বলেন, ঝড়ে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাহামায় আঘাত হেনে ঘূর্ণিঝড়টি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের দিকে এগোচ্ছে। বৃহস্পতিবারই এটি সাউথ ক্যারোলাইনার উপকূলে আঘাত হানে।

বাহামার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডুয়ানে স্যান্ডস স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘আমার মনে হয় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। মৃতদেহ সৎকারের জন্য অতিরিক্ত লোক এবং মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজ পাঠানো হচ্ছে।’

বৃহস্পতিবার এএফপির একটি দল মার্শ হার্বার শহর পরিদর্শন করে। সেখানে তারা ডোরিয়ানের আঘাতের বিধ্বংসী অবস্থা দেখতে পেয়েছে। ঝড়ের আঘাতে গাড়ি উল্টে পড়ে আছে, মাঠগুলো জঞ্জালে পরিপূর্ণ হয়ে আছে, এখানে-সেখানে সমুদ্রসৈকতের নৌকা পড়ে আছে। এ ছাড়া সর্বত্র পানি ছড়িয়ে আছে। গত রবিবার ডোরিয়ান যখন বাহামায় আঘাতে হানে তখন এটি ছিল ক্যাটাগরি ৫ ঘূর্ণিঝড়। ঝড়ের আঘাতে হাজার হাজার মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে ৭০ হাজার মানুষের জন্য সহায়তা প্রয়োজন।

এদিকে মিয়ামিভিত্তিক জাতীয় ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্র (এনএইচসি) গত শুক্রবার জানিয়েছে, ডোরিয়ানের শক্তি একটি কমে এটি উত্তর ক্যারোলাইনার দিকে এগিয়ে চলেছে। বৃহস্পতিবার সাউথ ক্যারোলাইনার ঐতিহাসিক শহর চার্লসটনে এটি আছড়ে পড়লেও সেখানে তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘ডোরিয়ান এখনো শক্তিশালী রয়েছে। এটি এখন উত্তর ক্যারোলাইনার দিকে এগোচ্ছে।’ সংস্থাটি আরো সতর্ক করে জানিয়েছে, যদিও এটি শক্তি হারিয়ে তুলনামূলক একটু দুর্বল হয়েছে। তার পরও এটি ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে এগোচ্ছে। ডোরিয়ানের প্রভাবে ক্যারোলাইনার কিছু কিছু এলাকায় প্রবল বৃষ্টিপাত হতে পারে। ৬ থেকে ১২ ইঞ্চি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

এদিকে ক্যারোলাইনা উপকূলের অনেক নাগরিক ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে যাচ্ছে। আবার অনেকে বাড়িতে থেকেই ঝড়ের মোকাবেলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা