kalerkantho

সোমবার । ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ১ পোষ ১৪২৬। ১৮ রবিউস সানি                         

চীনের হুমকি উপেক্ষা

হংকংয়ে ক্লাস বর্জন শুরু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হংকংয়ে ক্লাস বর্জন  শুরু বিশ্ববিদ্যালয়  শিক্ষার্থীদের

হংকংয়ের চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল স্কুল বয়কট সমাবেশ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা হাতে বিক্ষোভে অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা। ছবি : এএফপি

চীনের হুমকি উপেক্ষা করে গতকাল সোমবার থেকে হংকংয়ের হাজার হাজার শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমেছে। কয়েক মাস ধরে চলা আন্দোলনকে আরো বেগবান করতে এবং হংকংয়ের নেতাদের ওপর চাপ বাড়াতে দুই সপ্তাহব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় বয়কট শুরু করেছে তারা।

অপরাধীদের চীনে হস্তান্তরের সুযোগ রেখে আনা বিলকে কেন্দ্র করে হংকংয়ে গত জুনে শুরু হওয়া আন্দোলন ক্রমেই সংঘাতময় হয়ে উঠেছে। তার পরও সরকারবিরোধী এই আন্দোলন স্তিমিত হওয়ার কোনো চিহ্ন নেই। বরং বিক্ষোভকারীদের দমাতে চীন বিভিন্ন রকম হুমকি দিয়ে আসছে। বিক্ষোভকারীদের তারা ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিয়েছে। এরই মধ্যে কয়েক শ বিক্ষোভকারী গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছে। এদিকে গত রবিবার রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত চীনের সংবাদ সংস্থা সতর্ক করে জানিয়েছে, ‘আন্দোলন শেষ হয়ে আসছে।’

হংকংয়ে সরকারবিরোধী এই আন্দোলনে মূল ভূমিকা পালন করছে শিক্ষার্থীরা। গ্রীষ্মকালীন ছুটির পর গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর ছাত্রদের আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গন সরগরম হয়ে ওঠে। হাজার হাজার শিক্ষার্থী ক্লাস বর্জন করে হংকংয়ের কেন্দ্রে জড়ো হতে থাকে। ১৯ বছর বয়সী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র টমি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার প্রথম দিন। তার পরও আমি ক্লাস বর্জন করছে। আমার মনে হয়, ক্লাস বর্জন করলেও আমি কিছুই হারাব না। কেননা এখানে শেখার বিষয় রয়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দেয় স্কুলশিক্ষার্থীরা। তারা মানববন্ধন করে। এ ছাড়া হাসপাতালের নার্সরা হাসপাতালের করিডরে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড রেখে বিক্ষোভকারীদের প্রতি তাদের সমর্থন জানায়। ১৭ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষার্থী ওং বলেন, ‘হংকং আমাদের বাড়ি। আমরা এই শহরের ভবিষ্যৎ। এই শহরকে রক্ষা করার দায়িত্ব রয়েছে আমাদের।’

এদিকে নাম না প্রকাশের শর্তে একজন নার্স বলেন, ‘আন্দোলন স্তিমিত হয়ে আসছে। কারণে চীন কখনো এটি মেনে নেবে না। তার পরও আমাদের দাঁড়াতে হবে এবং আমাদের কথা বলতে হবে।’

সূত্র : এএফপি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা