kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

চুক্তিহীন ব্রেক্সিট কার্যকরে পার্লামেন্ট এড়াতে প্রস্তুত জনসন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্রেক্সিট নিয়ে ব্রিটেনজুড়ে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আগামী ৩১ অক্টোবর বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পন্ন করতে বদ্ধপরিকর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। প্রয়োজনে তিনি চুক্তি ছাড়াই ব্রেক্সিটে আগ্রহী। এ ক্ষেত্রে বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে পার্লামেন্টকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নাকচ করে দেননি জনসনের মন্ত্রিসভার এক জ্যেষ্ঠ সদস্য। আর বিরোধীরা মনে করছে, চুক্তি ছাড়াই ব্রেক্সিট ঠেকাতে গেলে দুটি বিষয় অপরিহার্য। প্রথমত, ব্রেক্সিট কার্যকরের সময় বাড়াতে হবে আর দ্বিতীয়ত, আগাম নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।

বিবিসি সানডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিরোধী লেবার দলের প্রধান ব্রেক্সিট উপদেষ্টা কেইর স্টারমান বলেছেন, ‘চুক্তি ছাড়াই ব্রেক্সিট ঠেকাতে যে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে তা পেছাতে হবে। সে ক্ষেত্রে আগামী মঙ্গলবারই (আজ) এসংক্রান্ত প্রস্তাবটি পার্লামেন্টে তুলতে হবে। তবে সময় নেওয়াই সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ইস্যু নয়। আমাদের চুক্তি ছাড়া ব্রেক্সিট রুখতে হবে।’ প্রসঙ্গত, গ্রীষ্মকালীন অবকাশের পর আজ থেকেই আবার বসতে যাচ্ছে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট। জনসনের পার্লামেন্ট স্থগিত করা নিয়ে এবার তীব্র বিতর্ক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

ব্রেক্সিটের জন্য প্রাথমিকভাবে পার্লামেন্টে ২৯ মার্চ পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। পরে দুই দফা এর মেয়াদ বাড়ানো হয়।

এদিকে বিরোধী লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন রবিবার আবারও আগাম নির্বাচনের দাবি তুলেছেন। সানডে টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি। তবে একই সঙ্গে এও জানান, প্রথমে চুক্তি ছাড়া ব্রেক্সিট রুখে দেওয়াই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। এরপর ৩১ অক্টোবরের সময়সীমা পার করার পর আগাম নির্বাচনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

তবে বিরোধীদের ভাবনা যা-ই হোক না কেন, জনসন সরকার এখনো ব্রেক্সিট কার্যকরে মরিয়া। জনসনের মন্ত্রিসভার অন্যতম জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী মাইকেল গোভকে গত রবিবার প্রশ্ন করা হয়, চুক্তি ছাড়াই ব্রেক্সিট কার্যকরে তাঁরা পার্লামেন্টের সিদ্ধান্তকেও এড়িয়ে যাবেন কি না। কট্টর ব্রেক্সিটপন্থী গোভ এর প্রত্যক্ষ কোনো জবাব দেননি। তবে এমন সম্ভাবনা বাতিলও করে দেননি তিনি।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের সাবেক আইনজীবী জ্যঁ ক্লদ পিরিস বলেন, ব্রিটেন সম্ভবত গভীর রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকটে পড়তে যাচ্ছে। ব্রেক্সিট যে গভীর বিভাজন রেখা তৈরি করছে, তা ব্রিটেনের গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের স্খলন ঘটাবে। সূত্র : এপি, সিএনএন, গার্ডিয়ান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা