kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

হংকংয়ে বিমানবন্দর ঘিরে বিক্ষোভ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুলিশের লাঠিপেটা, কাঁদানে গ্যাস এবং গুলি সত্ত্বেও হংকংয়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। আগের দিন পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষের পর গতকাল রবিবার বিক্ষোভকারীরা শহরের বিমানবন্দরগামী কয়েকটি রাস্তা বন্ধ করে দেয়। বিক্ষোভকারীরা বিমানবন্দরের দিকে যাওয়া যানবাহনে বাধা সৃষ্টি করে, ছাতা দিয়ে সিসিটিভি ক্যামেরা ঢেকে দেয়। ফলে কর্তৃপক্ষ এয়ারপোর্ট এক্সপ্রেস ট্রেন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।

বিমানবন্দরের বাইরে বিক্ষোভকারীরা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ফেলে দেয়, মালপত্র নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত ট্রলি একত্রিত করে ব্যারিকেড তৈরি করে এবং সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে ফেলে। হংকংয়ের পুলিশ জানিয়েছে, তারা বিক্ষোভকারীদের উচ্ছেদ শুরু করেছে এবং ফেসবুকের মাধ্যমে বিমানবন্দর এলাকা ছেড়ে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের কারণে এবার বিমান ওঠানামায় কোনো সমস্যা হয়নি, তবে বিশৃঙ্খল অবস্থা দেখে বেশ কিছু যাত্রী বিমানবন্দর এলাকা ছেড়ে চলে যায়। ইন্দোনেশিয়ার এক নাগরিক বলেন, ‘আমি বিমানবন্দরে আমার বোনকে আনতে যেতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমি সেখানে যেতে পারিনি।’

গত মাসে একবার বিক্ষোভকারীদের কারণে বিমানবন্দরে ব্যাপক বিশৃঙ্খল অবস্থা তৈরি হওয়ায় এবার তাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রচুর পরিমাণে ব্যানার টানানো হয়েছিল। তবে বিক্ষোভকারীরা সরকারবিরোধী এই আন্দোলনে প্রতিনিয়ত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যাচ্ছে। এদিনের বিক্ষোভে উগ্র সমর্থরা সরকারি ভবন এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে পেট্রলবোমা ছুড়েছে। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামানে তার জবাব দেয়। একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে পুলিশ ট্রেনের মধ্যে থাকা একদল লোকের ওপর চড়াও হচ্ছে। সেখানে পিপার স্প্রেতে জর্জরিত একজন লোক হাঁটু গেড়ে কান্নাকাটি তার বান্ধবীকে রক্ষা করার চেষ্টা করছে। পুলিশ অবশ্য তাদের আটক না করে সে স্থান ত্যাগ করে।

এদিকে পুলিশের আচরণকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বইছে। গণতন্ত্র সমর্থক আইন প্রণেতা কোওক কা-কি বলেন, ‘পুলিশ লাইসেন্সপ্রাপ্ত দুষ্কৃতি।’ সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা