kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

‘ভারতের সঙ্গে সংলাপে রাজি পাকিস্তান’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘ভারতের সঙ্গে সংলাপে রাজি পাকিস্তান’

দুই দিন আগেও ভারতের সঙ্গে সংলাপের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তান। তাদের দাবি ছিল জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা ফিরিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত দিল্লির সঙ্গে বসবে না ইসলামাবাদ। তবে ভারতের অবস্থানে পরিবর্তন আসার আগেই গত শনিবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি জানিয়েছেন, তাঁর দেশ আলোচনায় বসতে রাজি আছে। শর্তের মাত্রা কমিয়ে এবার তারা জানিয়েছে, সে ক্ষেত্রে কাশ্মীরের বন্দি রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তি দিয়ে তাঁর (কোরেশি) সঙ্গে আলোচনায় বসার সুযোগ করে দিতে হবে।

এদিকে গত ৫ আগস্ট জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা কেড়ে নেওয়ার আগে আটক কাশ্মীরের দুই রাজনৈতিক নেতা সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতির সঙ্গে তাঁদের পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ করেছে। ওমর আবদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর মেয়ে সাক্ষাৎ করেছেন দুইবার। অন্যদিকে মেহবুবা মুফতির সঙ্গে তাঁর মা ও বোন একবার সাক্ষাৎ করেছেন।

গত শনিবার বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কোরেশি বলেন, ‘পাকিস্তান কখনোই ভারতের সঙ্গে সংলাপকে না বলেনি। তবে সংলাপের মতো পরিবেশ আমরা খুঁজে পাচ্ছি না।’ কী হলে সংলাপের পরিবেশ তৈরি হবে বলে তিনি মনে করেন—প্রশ্ন করা হলে কোরেশি বলেন, কাশ্মীর উপত্যকার ওপর যে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে তা প্রত্যাহার এবং কাশ্মীরি নেতাদের মুক্তি দিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি কাশ্মীরি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করারও আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এর মাত্র দুই দিন আগে নিউ ইয়র্ক টাইমসে লেখা এক নিবন্ধে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন, কাশ্মীরের ওপর ভারতের অবৈধ দখলদারির অবসান না ঘটা পর্যন্ত সংলাপে বসতে চান না তিনি। এ ছাড়া ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর থেকে কারফিউ প্রত্যাহার ও সেনা প্রত্যাহারের কথাও বলেন ইমরান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এ নিবন্ধে পরমাণু যুদ্ধ বেধে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও প্রকাশ করেন।

তবে ইমরান খানের এ অবস্থানের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর গত শুক্রবার বলেন, সন্ত্রাস ও সংঘাতমুক্ত পরিবেশে পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবে ভারত। অতীতেও দিল্লি সংলাপ প্রসঙ্গে একই কথা বলেছে।

এদিকে কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতির সঙ্গে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হয়েছে। কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা দেওয়া ৩৭০ ধারা বাতিলের আগে ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওমর আবদুল্লাহকে সরকারি গেস্টহাউস হরি নিবাসে রাখা হয়েছে। শ্রীনগরের এই গেস্টহাউসে এরই মধ্যে তাঁর মেয়ে দুইবার তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সূত্র : এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা