kalerkantho

দিল্লিতে ঘুড়ির সুতায় গলা কেটে শিশুর মৃত্যু

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারতের দিল্লিতে ঘুড়ির মাঞ্জা দেওয়া ধারালো সুতায় গলা কেটে মোটরসাইকেলে থাকা এক শিশু মারা গেছে। গত শনিবার এ ঘটনা ঘটে। চলতি সপ্তাহে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার ঘুড়ির সুতায় গলা কেটে মৃত্যুর ঘটনা ঘটল।

দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, শনিবার চার বছর বয়সী শিশুটি তার বাবার সঙ্গে মোটরসাইকেলে চড়ে মন্দিরে যাচ্ছিল। তখন ঘুড়ির সুতা লেগে তার গলা প্রায় অর্ধেকটা কেটে যায়। ফলে শিশুটিকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

গত ১৫ আগস্টের স্বাধীনতা দিবস ঘিরে ভারতে ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি ওড়ানো উৎসব চলছে। রংবেরঙের ঘুড়ি উড়িয়ে এ উৎসব পালন করছে ভারতীয়রা। কিন্তু এসব ঘুড়ির সুতায় কাচের গুঁড়া দিয়ে মাঞ্জা দেওয়ার কারণে এগুলো বেশ বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ১৫ আগস্ট এ রকম সুতায় গলা কেটে দিল্লিতে মোটরসাইকেল আরোহী ২৮ বছরের এক যুবক মারা যান। এ ছাড়া ধাতব প্রলেপ দেওয়া ঘুড়ির সুতা বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। গত মাসে গলায় ঘুড়ির সুতা পেঁচিয়ে যাওয়ার কারণে মোটরসাইকেল উল্টে আরেক তিন বছরের শিশু মারা যায়। আরো কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে মাঞ্জা দেওয়া ঘুড়ির সুতার কারণে। এসব সুতায় শুধু যে মানুষ মারা যাচ্ছে তা নয়; পশুপাখির অধিকার রক্ষায় নিয়োজিত কর্মীরা জানিয়েছেন, সুতায় গলা কেটে এখন পর্যন্ত অনেক পাখি মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

গত কয়েক বছর ধরেই দিল্লিতে ঘুড়ির ধারালো সুতায় গলা কেটে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এর পুনরাবৃত্তি রোধ করতে তিন বছর আগেই ধারালো সুতা বা দড়ির উৎপাদন, বিক্রি ও সংরক্ষণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে দিল্লি সরকার। এ ধরনের সরঞ্জাম কারো কাছে পাওয়া গেলে তার পাঁচ বছরের জেল এবং এক লাখ রুপি জরিমানার বিধান করা হয়। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অন্য ঘুড়ি কেটে ফেলে দিতে অনেকেই এ ধরনের সুতা ব্যবহার করছে। ফলে দুর্ঘটনা থামছে না।

সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা