kalerkantho

এশিয়ায় দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৫ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যত দ্রুম সম্ভব এশিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার। অস্ট্রেলিয়ার সিডনি সফরে সঙ্গী হওয়া সাংবাদিকদের গত শনিবার তিনি ভূমি থেকে উেক্ষপণযোগ্য মাঝারিপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের ব্যাপারে এ কথা বলেন।

রাশিয়ার সঙ্গে তিন দশক আগে স্বাক্ষরিত এক ঐতিহাসিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে যাওয়ার পরদিনই নিজের এ অভিমত জানান মার্কিন মন্ত্রী। তাঁর এ বক্তব্য বিশ্বজুড়ে অস্ত্র প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ বাড়াবে, পাশাপাশি চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের উত্তেজনাও বাড়িয়ে দেবে বলে পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা।

এশিয়ায় ভূমি থেকে উেক্ষপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র কত দিনের মধ্যে মোতায়েন করা হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী এসপার জানান, কাজটা তিনি কয়েক মাসের মধ্যে করতে চান। তবে এ ধরনের কার্যক্রম প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সময় নেয় বলে তিনি মন্তব্য করেন। ইউরোপ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র সরাতে যুক্তরাষ্ট্র ১৯৮৭ সালে তৎকালীন সোভিয়েত রাশিয়ার সঙ্গে ইন্টারমিডিয়েট রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্স (আইএনএফ) শীর্ষক চুক্তি করে। মস্কোর বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ওয়াশিংটন গত শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে ওই চুক্তি থেকে সরে যায়।

পর্যবেক্ষকদের ধারণা, আইএনএফ চুক্তি থেকে সরে আসায় কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ভূমি থেকে উেক্ষপণযোগ্য ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাবে। এ ছাড়া আগামী নভেম্বরে পেন্টাগন মাঝারিপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাবে। উভয় পরীক্ষাতেই পারমাণবিক নয়, প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র উেক্ষপণ করা হবে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

যুক্তরাষ্ট্রের অনেক কর্মকর্তার দাবি, রাশিয়ার আইএনএফ চুক্তি বলবৎ থাকায় ভূমি থেকে উেক্ষপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র চীনের তুলনায় ক্রমাগত পিছিয়ে পড়ছিল। বলা দরকার, চীনের সঙ্গে ভারসাম্য রক্ষায় এত দিন নৌযান কিংবা বিমান থেকে উেক্ষপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের ওপরই নির্ভর করে আসছিল পেন্টাগন। কিন্তু সমর বিশেষজ্ঞদের অনেকের অভিমত, ভূমি থেকে উেক্ষপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রই চীনা হুমকি মোকাবেলায় সবচেয়ে কার্যকর হবে।

এসবের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী এসপারের বক্তব্য অস্ত্র প্রতিযোগিতায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে যে আশঙ্কা করা হচ্ছে, সে সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো অস্ত্র প্রতিযোগিতা দেখছি না।’ সূত্র : রয়টার্স।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা